বিসিবির নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম তদন্তে স্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্টের সুপারিশমালায় গঠনতন্ত্র ব্যাপকভাবে সংশোধনের কথা বলা আছে। ফলে এই সুপারিশকে গুরুত্ব দিলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা কতটা সম্ভব, তা সময়ই বলে দেবে। কারণ, এর আগে কখনোই অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ হয়নি। অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা নির্বাচন করতে পারবেন কি না, আজ দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট কিছু বলেননি এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান।
২০০৫, ২০০৮ এবং ২০১৩ সালে বিসিবির নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন অ্যাডহক কমিটির অধিকাংশ সদস্য। তাঁদের অনেকেই নির্বাচিত হয়েছেন। গঠনতন্ত্রেও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধি নেই। অর্থাৎ চাইলেই তামিম কেন, অ্যাডহক কমিটির সকল সদস্য বিসিবির পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বিসিবির নির্বাচনের আগে একটা পক্ষ নির্বাচন বর্জন করেছিল। বুলবুলের সঙ্গে তামিমের বিসিবি সভাপতি হওয়ার পদে লড়াই হওয়ার থাকলেও তা আর হয়নি। পরে সমঝোতার কথাও জানা গিয়েছিল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে সরকার ভেঙে দিয়েছে তাঁর পরিচালনা পর্ষদ। তার আগে গত বছরের ৩০ মে এনএসসি মনোনীত হয়ে আইসিসির চাকরি ছেড়ে বিসিবির সভাপতি হয়েছিলেন। তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদকে এনএসসি সরিয়ে দেওয়ার পর বুলবুলকে বিসিবি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছিল।
একটি মনে রাখার মতো টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলার লক্ষ্যে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে এসে পরে নানা রাজনৈতিক হিসাবের মারপ্যাঁচে বুলবুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন টেস্ট ইনিংস খেলবেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের আগুনে বাউন্সার আর অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার বুলবুল ‘টেস্ট ইনিংস’টা বেশি লম্বা করতে পারেননি।