1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর গ্রেপ্তার নিয়ে আন্তর্জাতিক নাগরিক অধিকার সংস্থা জোটের নিন্দা-উদ্বেগ গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণকাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি: ৯৩ কোটি থেকে ব্যয় বেড়ে ১১২ কোটি নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন তামিম প্রতিহিংসার রাজনীতি কেড়ে নিলো ছাত্রলীগ নেতার মমতাময়ী মায়ের জীবন ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আলোচনার ঝড়, ওসির চেয়ারে বসলেন এমপি আর্থসেট ও সূর্যগ্রহণের ছবি প্রকাশ করল নাসা ফেনীতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা টেন্ডার-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসে বেপরোয়া  গত দেড় বছরে ক্রিকেটের ক্ষতি হয়েছে, এটাকে ঠিক করতে হবে: তামিম ইকবাল কয়লার সংকট মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে, জ্বালানি তেল সংকটের পর এবার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ধাক্কা ভিসা সেবা নিয়ে বাংলাদেশিদের ১৩ দেশের যৌথ সতর্কবার্তা

গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণকাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি: ৯৩ কোটি থেকে ব্যয় বেড়ে ১১২ কোটি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ সময় দর্শন
গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি।

আট বছরেও শেষ হয়নি গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণকাজ। চার দফা মেয়াদ ও ব্যয় বাড়লেও কাজ শেষ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। গণপূর্ত বিভাগ বলছে, বরাদ্দ বন্ধ থাকায় কাজ শেষ করা যায়নি। নতুন করে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাঁতের চিকিৎসায় গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। যা শেষ হওয়ার কথা ছিলে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। এর মধ্যে হাসপাতাল ও একাডেমিক ভবনসহ মোট ১৩টি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও বাকি অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণকাজ। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বন্ধ এই প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ। দীর্ঘদিনেও হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় দাঁতের চিকিৎসার জন্য স্থানীয়দের যেতে হচ্ছে অন্য জেলায়।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকবছর ধরে তৈরি হচ্ছে ডেন্টাল কলেজ। এর কোনো ফলাফল নেই। কাজ শেষ হলে গোপালগঞ্জসহ অন্য জেলার মানুষেরা উপকৃত হবে। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও বকেয়া অর্থ বরাদ্দ চেয়ে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস গণপূর্ত কর্মকর্তার। গোপালগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার মন্ডল জানান, বর্তমানে ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুতই কাজ শুরু করা যাবে। হাসপাতাল নির্মাণস্থল প্রকৌশলী (সাইট ইঞ্জিনিয়ার) সোহেল রানা জানান, শুরুতে হাসপাতালটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৯৩ কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। পরে যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১২ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের জন্য ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host