1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের অবরোধ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

গোপালগঞ্জে ডিজেল সংকটে বোরো ধান ও পাট চাষে সেচ ব্যাহত, কৃষকদের দুশ্চিন্তা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৪ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
গোপালগঞ্জ: জেলার অনেক কৃষক ডিজেলচালিত সেচ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হলেও বর্তমান ডিজেল সংকটের কারণে বোরো ধান ও পাট চাষের ভরা মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির তথ্য অনুসারে, জেলার ৫ উপজেলায় এবার ৮২ হাজার ৫৯৩ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৬৫৪ হেক্টর জমিতে ডিজেলচালিত সেচ মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। বাকি জমিতে বিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ ব্যবস্থা চলছে।
কিন্তু ডিজেলনির্ভর সেচের জন্য কৃষকরা চাহিদামতো ডিজেল পাচ্ছেন না। অনেক সময় বেশি দামে ডিজেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ফলে বোরো চাষের খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
রোড়াশী ইউনিয়নের ঘোষগাতি গ্রামের কৃষক এনামুল মোল্লা বলেন, “ডিজেলের অভাবে আমরা খুব সমস্যায় পড়েছি। ধানক্ষেতে পানি দিতে পারছি না, পাটও বুনতে পারছি না। ফিলিং স্টেশন বা দোকান কোথাও ডিজেল পাচ্ছি না। বর্তমানে এক লিটার ডিজেল ১৫০ টাকা দামে কিনতে হচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি—ডিজেল নিয়ন্ত্রণ করে সহজলভ্য করতে হবে। না হলে ধানের উৎপাদন কমে গেলে খাদ্য উৎপাদনও কমে যাবে।”
কৃষকরা জানান, নিম্ন জলাভূমি বেষ্টিত গোপালগঞ্জে বছরে মাত্র একবার বোরো ধান ফলে। এটিই জেলার কৃষকদের প্রধান ফসল। এ ধানের চালেই তাদের সারা বছরের সংসার চলে। বাড়তি ধান বিক্রি করে পরিবারের অন্যান্য খরচ মেটান। তাই ফলনে প্রভাব পড়লে সারা বছরই কষ্টে দিন কাটাতে হবে।
গোপালগঞ্জের শরীফ নূরজাহান ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার বাচ্চু শেখ বলেন, “কৃষকরা এখন ধানে সেচ দিচ্ছে, তাই তাদের ডিজেল সরবরাহকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। কিন্তু চাহিদা অনেক বেশি হলেও একবারে ৫ লিটারের বেশি ডিজেল দিতে পারছি না। ৫ লিটার শেষ হলে আবার আসলে দিতে পারব, যদি আমাদের কাছে ডিজেল থাকে।”
কৃষকরা বলছেন, সরকার যদি দ্রুত ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত না করে, তাহলে বোরো ধানের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা জেলার খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host