1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

মানব ইতিহাসের অন্যতম ঘাতক এই রোগ আবারও ফিরছে

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩ সময় দর্শন
মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস’ নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে যক্ষা হয়। এআই জেনারেটেড ছবি

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রাণঘাতী রোগ ‘হোয়াইট প্লেগ’ বা যক্ষ্মা (টিবি) আবারও ফিরে আসছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যক্ষ্মায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই ঘাতক ব্যাধির জন্য দায়ী ‘মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস’ নামের ব্যাকটেরিয়া। এটি মূলত মানুষের ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। তবে এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ভক্স-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ একসময় যক্ষ্মাকে ছাড়িয়ে শীর্ষ ঘাতক ব্যাধি হয়ে উঠলেও ২০২৩ সাল থেকে এটি আবারও সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে বিশ্বে মৃত্যুর এক নম্বর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও যক্ষ্মা গবেষক প্রিয়া শেঠ বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এখন স্থানীয় পর্যায়েও প্রভাব ফেলে। আমরা যদি যক্ষ্মার বিস্তার ঠেকাতে না পারি, তাহলে এটি বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি যেসব স্থানে সংক্রমণের কথা চিন্তাই করা যায় না, সেখানেও যক্ষ্মার প্রভাব দেখা দিতে পারে।’

যক্ষ্মা কী?
যক্ষ্মা মূলত একটি বায়ুবাহিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি বা সংস্পর্শে এলে বাতাসের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে। তবে আক্রান্ত সবাই যে সঙ্গে সঙ্গেই অসুস্থ হয়ে পড়বেন, এমন নয়। কারও কারও ক্ষেত্রে এই ব্যাকটেরিয়া সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। যক্ষ্মার সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—টানা কাশি, বুকে ব্যথা, কাশির সঙ্গে রক্ত বা কফ বের হওয়া, জ্বর এবং দ্রুত ওজন কমে যাওয়া। যাঁদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম অথবা যাঁরা ডায়াবেটিস বা এইডসে আক্রান্ত এবং ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে বসবাস করেন, তাঁদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষের শরীরে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে। ২০২৩ সালের তুলনায় এই হার ৮ শতাংশ বেশি।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার
যক্ষ্মার লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ ফ্লুয়ের মতোই মনে হতে পারে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না পেলে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি মারাও যেতে পারেন। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিরাময় করা সম্ভব। এই রোগের চিকিৎসা সাধারণত ৬ থেকে ৯ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। রোগীকে অবশ্যই ওষুধের পূর্ণ ডোজ সম্পন্ন করতে হবে; অন্যথায় শরীরে ‘ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্স’ তৈরি হতে পারে। ওয়েইল কর্নেল মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ডা. কোহতা সাইতো নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে যাঁদের শরীরে যক্ষ্মা সুপ্ত অবস্থায় থাকে, তাঁদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’ যক্ষ্মা থেকে সুরক্ষায় ‘ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গেরিন’ বা বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। সাধারণত যক্ষ্মাপ্রবণ দেশগুলোতে এই টিকার প্রচলন বেশি। ‘স্টপ টিবি পার্টনারশিপ’-এর নির্বাহী পরিচালক ডা. লুসিকা ডিটিউ বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশই যক্ষ্মামুক্ত নয়। যতক্ষণ আমরা শ্বাস নিচ্ছি, ততক্ষণই আমাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।’ বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্ক পরা, ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং নিয়মিত পরীক্ষার মতো সাধারণ সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে এই রোগের সংক্রমণ কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host