গতকাল করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ই মার্চ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট অজ্ঞাত ব্যক্তিরা হ্যাক করে। এতে অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহার করে অপকর্ম সংঘটনের আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে এমন হ্যাকিংয়ের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলছে নানারকম জল্পনা-কল্পনা। কেউ কেউ দাবি করেছেন, ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপের কথোপকথন এবং বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানের প্রমাণ লুকাতে এমন ‘নাটক’ করা হচ্ছে।
কারো কারো দাবি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় ‘ফাঁসির রায়’ দেওয়ায় এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনার পর বিষয়টি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবেদনপত্রের অনুলিপি জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১৭ই মার্চ বিচারপতির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ত্রুটি দেখা দিলেও তখন তিনি বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেননি। পরে বুঝে ওঠার আগেই তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার পরে ২২শে মার্চ বিষয়টি আইসিটি প্রসিকিউটর ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহাকে অবহিত করেন।
পরে ডিভাইসটি থেকে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণের অ্যাপ অপসারণ করে মোবাইল ফোনটি আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তানভীর হাসান জোহা জানান, প্রতারণামূলক লিংকে প্রবেশ বা অননুমোদিত অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডের কারণেই এ ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তবে এখনো পর্যন্ত বিচারপতির ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।






