কেমিস্ট থেকে হারবাল দোকানি, এরপর নিজেই প্রতিষ্ঠা করেন ইয়াবার ল্যাব। আর সেখানেই তৈরি করছেন নকল ইয়াবা। তৌহিদুজ্জামান শিমুল নামের এই কেমিস্টকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, ইয়াবা কিনে সেগুলো গুঁড়ো করে, পরে ফ্লেভারসহ বিভিন্ন উপকরণ মিশিয়ে ইয়াবা তৈরি করেন শিমুল। প্রথমে কেনা হয় ইয়াবা। এর পর সেগুলো গুঁড়ো করা হয়, সঙ্গে ফ্লেভারসহ মেশানো হয় বিভিন্ন কাঁচামাল। মেশিনে ছোট ছোট করে কাটা হয়। পরে প্যাকেটে ভরে সরবরাহ করা হয় নতুন ধরনের এই ইয়াবা। গাজীপুরের টঙ্গীর একটি ফ্ল্যাটে ইয়াবা তৈরির কারখানা। এখান থেকেই এই মাদক তৈরির বিপুল কাঁচামাল ও সরঞ্জামসহ আটক করা হয় তৌহিদুজ্জামান শিমুলকে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরে কারখানার সন্ধান পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ক্রেতা সেজে ১০ হাজার ইয়াবা অর্ডার করে কারখানায় অভিযান চালায় ডিএনসি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (গোয়েন্দা) মো. মেহেদি হাসান বলেন, ‘৫০০ ইয়াবা কিনে সেটিকে পাউডার ফর্মে নিয়ে যাওয়া হত। তিনি লোকাল বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা রকম কেমিকেল সংগ্রহ করতেন। এর সঙ্গে ইয়াবা তৈরির সরঞ্জাম মিক্স করে তিনি পাঁচ হাজার ইয়াবা প্রস্তুত করতেন। তাঁর নিজস্ব একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখানেই তিনি এগুলো বিক্রি করতেন।’ মো. মেহেদি হাসান আরও জানান, শিমুল পেশায় কেমিস্ট। সাতক্ষীরা থেকে গাজীপুরের টঙ্গীতে এসে খোলেন হারবাল ওষুধের দোকান। নিজের ভাড়া ফ্ল্যাটেই তৈরি করতেন ইয়াবা। চার মাস আগে যুক্ত হন মাদক কারবারে।






