1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের অবরোধ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

জ্বালানি সংকটে রংপুরে সেচ বন্ধ, জমি ফেটে চৌচির

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯২ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

রংপুরে তীব্র জ্বালানি সংকটে কৃষি খাতে চরম বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডিজেলের অভাবে সেচ পাম্পগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, ফলে বোরো ধানের জমি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে এবং দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সময়ে সেচ দেওয়া না গেলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। সংকট নিরসনে দ্রুত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষি সংশ্লিষ্টরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জাদুঘরে ঠাঁই নেওয়া উত্তরবঙ্গের চিরায়ত মঙ্গা আবার ফিরে আসছে কিনা, এমন কথা বলছেন সবাই। গংগাচড়া উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সেচ পাম্পই ডিজেলের অভাবে বন্ধ। ফলে জমিতে নিয়মিত পানি দেওয়া যাচ্ছে না এবং ফসল নষ্ট হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। কৃষকদের অভিযোগ, আগে সহজেই ডিজেল পাওয়া গেলেও এখন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে দুই-তিন লিটারের বেশি দেওয়া হচ্ছে না, যা দিয়ে সেচ চালানো প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, “সময়ে পানি দিতে না পারলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তেল না পেয়ে আমরা দিশেহারা।” আরেক কৃষক মো. বেল্লাল হোসেন জানান, বোতলে তেল নিতে গেলে তা দেওয়া হচ্ছে না; বরং শ্যালো মেশিন নিয়ে আসতে বলা হচ্ছে, যা তাদের জন্য ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। ফসল বাঁচাতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন নিয়ে পাম্পে যাচ্ছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর অঞ্চলের অধিকাংশ সেচ ব্যবস্থা ডিজেলনির্ভর হওয়ায় বর্তমান সংকটে সেচ কার্যক্রম প্রায় স্থবির। এ বছর জেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষ সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই সময়ে পর্যাপ্ত সেচ না পেলে বোরো ধানের ফলন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। এতে মঙ্গা পরিস্থিতি উদ্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষেতমজুর পরিষদের নেতা আনোয়ার হোসেন বাবলু সরকারের মনিটরিং দুর্বলতাকে দায়ী করে বলেন, “অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিদ্যুৎচালিত সেচ ব্যবস্থাও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে না, কারণ ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাবেই এ সংকট তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host