অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘হিসাব সহকারী’ পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগেই নিয়োগ পরীক্ষাটি স্থগিত ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত’ নির্ধারিত সময়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ‘হিসাব সহকারী’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষার নতুন তারিখ ও সময় পরবর্তীতে জানানো হবে।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এমন সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েন দূরদূরান্ত থেকে আসা হাজারো চাকরিপ্রার্থী। এদিকে পরীক্ষা স্থগিতের পেছনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা রয়েছে বলে দাবি করছেন পরীক্ষার্থীরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বলে দাবি করে ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেন। ফেসবুকে মোহাম্মদ সৌরভ নামের একজন লেখেন,“প্রশ্ন ফাঁস! প্রাইমারির ‘হিসাব সহকারী’ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস। বিকেলে এই প্রশ্নেই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সোনার বাংলাদেশ।”
অন্যদিকে ইমানুল সোহান নামের একজন লিখেছেন, “প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে অধিদপ্তরের সামনে হাজার হাজার নিয়োগপ্রার্থী আন্দোলনে জড়ো হয়েছেন। তবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্রগুলো আদৌ ওই পরীক্ষার ছিল কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এদিকে পরীক্ষা শুরুর আগেই দুপুরের দিকে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তুলতে শুরু করেন চাকরিপ্রার্থীরা। অনেকেই দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও আর্থিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে দ্রুত তদন্ত ও পুনঃনির্ধারিত তারিখ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।