1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইউনূসের মব বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন আসিফ নজরুল : আনিস আলমগীর জামালপুরে চাঁদা না পেয়ে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজহারীর পর এবার আহমাদুল্লাহর অস্ট্রেলিয়ান ভিসা বাতিল, উগ্রবাদীদের ছাড় নেই সাফ জবাব মন্ত্রীর চট্টগ্রামে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার, লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে, জ্বালানি সংকট ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর জোর ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ অসাম্প্রদায়িক বৈশাখি উৎসবের শোভাযাত্রা বন্ধের অপচেষ্টা, এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ উগ্র মতাদর্শীরা নিউইয়র্ক আদালতে জবানবন্দি দেবেন আহসান এইচ মনসুর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে মব জাস্টিস ঠেকাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি: আসিফ নজরুল জামালপুরে জ্বালানি তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ

ভারতে বোমারু মিজানের ২৯ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৪৪৭ সময় দর্শন

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ঘোষণা করা হলো খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার রায়। এই হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জাহিদুল ইসলাম ওরফে শেখ কাওসার ওরফে বোমারু মিজানকে ২৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। তাদের মধ্যে ৩০ জনের সাজা ঘোষণা হয়েছে আগেই, বাকি ছিলেন কাওসার।

বুধবার ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) বিশেষ আদালত শেখ কাওসারকে দেশদ্রোহিতা, বিস্ফোরক আইন ও বিদেশি আইনের ধারায় মোট ২৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন, পাশাপাশি ২৯ হাজার রুপি জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বর্ধমানের খাগড়াগড়। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কাওসার ওরফে বোমারু মিজানকে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে গ্রেফতার করে এনআইএ। ২০১৫ সালে বুদ্ধ গয়া বিস্ফোরণ কাণ্ডেও হাত ছিল তার।

তদন্তে উঠে আসে, কাওসার বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) অন্যতম শীর্ষ নেতা। তিনি বোমা ও আইইডি তৈরিতে ওস্তাদ। খাগড়াগড়ে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ কাওসারই দিয়েছিলেন। সেখানকার বোমা মুর্শিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশে পাচারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার।

খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের পরপরই বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন কাওসার। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে মনে করে আবারো ভারতে চলে যান জেএমবির এ নেতা। এরপরই বেঙ্গালুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফাঁদে ধরা পড়েন তিনি। তার সন্ধানের জন্য সেসময় ১০ লাখ রুপি পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল এনআইএ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host