স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক »
সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের স্ত্রী ও তিন সন্তানের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়ার পর তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তার নামে-বেনামে আরও সম্পদ রয়েছে কি না, তা উদঘাটনের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সেলিমের ছেলে শেখ ফজলে ফাহিমের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তাকেও সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
অপর ছেলে শেখ ফজলে নাঈমের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তার নামে-বেনামে আরও সম্পদ রয়েছে কি না, তা উদঘাটনের জন্য সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া শেখ ফজলুল করিম সেলিমের মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তাকেও সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এদিকে শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করেছে দুদক।
২০২৬ সালের ৪ মার্চ দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল অভিযোগটির অনুসন্ধান করে। দলের অন্য দুই সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার ও উপসহকারী পরিচালক এলমান আহাম্মদ অনি।