1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে আবারও বন্ধ মধ্যপাড়া খনির পাথর উত্তোলন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ৬২ সময় দর্শন

মাফিকুল ইসলাম, পার্বতীপুর (দিনাজপুর):
দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলা খনি মধ্যপাড়ায় আবারও বন্ধ হয়ে গেছে পাথর উৎপাদন কার্যক্রম। বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সংকট দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে উৎপাদন ঠিকাদার জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ড থেকে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আমদানির প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণে চালান পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে। আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বিস্ফোরক খনিতে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করছেন খনি কর্তৃপক্ষ। ততদিন পর্যন্ত পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়ে খনির রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে জিটিসি।
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ডি. এম. জোবায়েদ হোসেন এবং মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ভূগর্ভস্থ খনিতে পাথর উত্তোলনের আগে বিস্ফোরণ ঘটাতে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক প্রয়োজন হয়। খনিটিতে বছরে প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়, যার সবই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সরকারি বিধি-বিধান ও দীর্ঘ আমদানি প্রক্রিয়ার কারণে প্রায়ই জটিলতার মুখে পড়তে হয় কর্তৃপক্ষকে।
এর আগেও বিস্ফোরক সংকটে ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস এবং ২০১৮ সালে সাত দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল। পরে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে বিস্ফোরক আমদানির দায়িত্ব দেওয়া হয় জিটিসিকে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত তারা সফলভাবে দায়িত্ব পালন করলেও গত বছর থেকে খনি কর্তৃপক্ষ সরাসরি আমদানি শুরু করে। তবে সময়মতো বিস্ফোরক আমদানি করতে না পারায় গত নয় মাসে এটি দ্বিতীয়বারের মতো উৎপাদন বন্ধ হলো।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৫ মে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। ২০১৪ সাল থেকে বেলারুশের জেএসসি ট্রেস্ট সকটোস্ট্রয় এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া করপোরেশন লিমিটেডের সমন্বয়ে গঠিত জিটিসি খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমানে প্রায় ৭০০ দক্ষ শ্রমিক ও ইউরোপীয় প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার টন পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে।
টানা পাঁচ অর্থবছর লাভজনক অবস্থানে থাকা খনিটি ১০০ কোটি টাকার মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি ৪০ কোটি টাকা পেট্রোবাংলাকে পরিশোধ করেছিল। তবে ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ঠিকাদারি ব্যয় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৭ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। চলতি অর্থবছরেও লোকসানের ধারায় রয়েছে খনিটি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host