1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

বিচারপতির বাসায় হেনস্তার শিকার প্রবীণ শিক্ষক

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৯ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

রাজধানীর নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে এক বিচারপতির বাসায় নিয়ে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করার অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণিকক্ষে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে কোনো তদন্ত ছাড়াই ওই শিক্ষককে হেনস্তা এবং জোরপূর্বক ছাত্রের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত ২৭ এপ্রিল দশম শ্রেণিতে পাঠদানকালে জনৈক বিচারপতির ছেলে ফিজিক্সের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের কাছে একটি বাংলা লাইনের অর্থ জানতে চায়। দয়াল স্যার বিনয়ের সঙ্গে জানান, তিনি ফিজিক্সের শিক্ষক হওয়ায় বিষয়টি তার জন্য কঠিন হতে পারে। কিন্তু ছাত্রটি বারবার জোরাজুরি করতে থাকে। একপর্যায়ে দয়াল স্যার তাকে বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে ছাত্রটি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে শিক্ষকের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এই আকস্মিক ও অশোভন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষক ছাত্রটিকে একটি চড় মারেন।

অভিযোগ উঠেছে, ওই ছাত্র বাসায় ফিরে ঘটনার প্রকৃত সত্য গোপন করে তা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিচারপতি বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালকে ফোন দিলে শুরু হয় শিক্ষকের ওপর মানসিক চাপ। বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে দয়াল স্যারের পাশে না দাঁড়িয়ে প্রিন্সিপাল তাকে কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই বিচারপতির বাসায় পাঠান।

ভুক্তভোগী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের বর্ণনা অনুযায়ী, বিচারপতির বাসায় তাকে চরম অপমানের মুখোমুখি হতে হয়। এমনকি উপস্থিত সদস্যদের চাপে তাকে ওই ছাত্রের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। দয়াল স্যার অভিযোগ করেন, ছাত্রের মা তাকে ‘তুই-তোকারি’ করে বলেন, “এই তুই, ওর পা ধরে এখনই মাফ চা!”

বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন এই প্রবীণ শিক্ষক। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, “আমি আতঙ্কিত। বিচারপতি কখন তার ক্ষমতা ব্যবহার করে আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যান, সেই শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছি।”

এই ঘটনায় স্কুলের প্রিন্সিপালের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা বিচার না করে সরাসরি একজন শিক্ষককে এমন অপমানজনক পরিস্থিতিতে ঠেলে দেওয়ায় সাধারণ শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host