অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল ইসলাম বলেন, এখানে আমাদের পারিবারিক জায়গা রয়েছে, কবরস্থান ছিলো। তাই মামলা করেছি। এছাড়া তারা পিলার ভাঙেন বলেও দাবি করেন।
প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা বলেন, দুই দফায় আমি এখানে ২১বছর দায়িত্ব পালন করছি। এর আগে কখনও তারা এখানে জায়গা পাওয়ার বিষয়ে কিছু শুনিনি। যারা মামলা করেছেন তারা পূর্বে আমাদের কমিটিতে ছিলেন, তখন কোন আপত্তি করেননি। ১৮ তারিখ তারা স্কুলের দেওয়াল পিলারের কাজে বাধা প্রদান করেন। তারা কে কাজ করছেন জানতে চান। কোন নীতিমালায় করছি সেটাও জানতে চান। আমি বলেছি-ব্যক্তি উদ্যোগে হচ্ছে। এখানে দিতে নীতিমালা লাগে না, নিতে লাগে।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল হালিম মজুমদার বলেন, আমি এই স্কুলের ছাত্র। স্কুুলের চার পাশে ডোবা ছিল। নিজের টাকা খরচ করে ডোবা ভরাট ও দেওয়াল সংস্কার করেছি। আমার বয়স ৬০ বছর। এখানে কবরস্থান কখনও দেখিনি।
তিনি বলেন, তারা দুই মাস আগে মামলা দায়ের করেছে। দিনের বেলায় কাজে বাধা দিয়েছে, রাতে পিলার ভেঙেছে। তারা মামলা গিয়ে আবার স্কুলের এমন ক্ষতি করা উচিত হয়নি।
সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামীম ইকবাল ইমন বলেন, স্কুলের জমি নিয়ে মামলার বিষয়টি জেনেছি। আমরা আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবো।






