1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৭ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

অর্থনীতির বিদ্যমান চাপের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভোক্তা চাহিদার মন্দা। নিত্যপ্রয়োজনীয় নয়—এমন পণ্যে ব্যয় কমিয়ে দিচ্ছেন ক্রেতারা। ফলে টিস্যু ও টয়লেট্রিজের মতো পণ্যের ব্যবহার কমে গেছে, যা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নগদ প্রবাহকে আরও সংকুচিত করছে। একাধিক সংকটের সম্মিলিত প্রভাব এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে শিল্প খাতে। এর প্রকট উদাহরণ সিমেন্ট শিল্প।

খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল—ক্লিংকার, লাইমস্টোন ও জিপসামের প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। এর বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। তবে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে ওই অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাহাজ ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, যা আমদানি ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সময়ে জ্বালানিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে ডিজেল সংকটে বারবার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারখানাগুলোকে। পরিবহন সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ডিজেলের অভাবে লাইটার জাহাজের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বহির্নোঙরে বড় জাহাজগুলোর অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে করে কোম্পানিগুলোকে অতিরিক্ত ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, কিন্তু বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশের বেশি।” পরিবহন সংকটের প্রভাব পড়েছে শিল্পের উৎপাদনশীলতায়ও। একটি শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিজস্ব ও ভাড়াকৃত ট্রাক—দুটোর ব্যবহারই প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, “আগে একটি ট্রাক দিনে একটি ট্রিপ সম্পন্ন করতে পারত। এখন একই কাজ করতে দুই দিন লাগছে। অথচ যানবাহন অলস থাকলেও চালকদের মজুরি বহন করতে হচ্ছে।” রপ্তানিমুখী খাতগুলোও একই ধরনের চাপে রয়েছে। একটি শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান জানান, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তার ভাষ্য, “ট্রাক ভাড়া দ্বিগুণ হলেও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানো যাচ্ছে না।” এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সরবরাহে অগ্রাধিকার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন ব্যাহত হওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বহুমাত্রিক চাপে পড়েছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলেন, এতে শুধু মুনাফাই নয়, অনেক প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা এবং ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একজন সিমেন্ট উৎপাদক বলেন, “এটি আর শুধু বাড়তি খরচের বিষয় নয়; বর্তমান বাস্তবতায় এটি টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host