1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত হাঁকছেন দাম, ফলের বাজারে নেই লাগাম

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ সময় দর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র রমজান মাসের শুরু থেকেই দেশের ফলের বাজারে আগুন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অস্বাভাবিক দাম বাড়ছে প্রতিদিন। এমনকি ইফতারপণ্য খেজুর, আপেল, কমলা, মালটাসহ প্রায় সব ধরনের ফল এখন রোজাদারদেরর ইফতারে নাগালের বাইরে চলে গেছে। বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত দাম হাঁকছেন।

ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, রায়সাহেব বাজারসহ কয়েকটি ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কমলা প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, মাল্টা ৩০০ টাকা, সাদা আঙুর ৪০০ টাকা, আপেল ৩৬০ টাকা, নাশপাতি ৪০০ টাকা এবং আনার বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকা কেজিতে। কালো আঙুরের দাম ৫৫০ টাকা, পেঁয়ারা ১২০ টাকা, পেঁপে ১৫০ টাকা এবং বড়ই বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুরের দামও বেশ চড়া লক্ষ্য করা গেছে। ইসরায়েলি জাতের মেখজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১ হাজার ৬০০ টাকায়, মরিয়ম খেজুর ৯০০ টাকা এবং তিউনিসিয়ান বিভিন্ন জাতের সাধারণ খেজুর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬৫০ টাকা কেজিতে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

অজুহাদ দিয়ে রায়সাহেব বাজারের খেজুর বিক্রেতা সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়াই না। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বিক্রিতেও দাম বাড়ে। সদরঘাটের বাদামতলীর খুচরা ও পাইকারি খেজুর ব্যবসায়ী তাওয়াককুল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. সুমনের অজুহাত ভিন্ন। তিনি বলেন, খেজুরের সরবরাহ ‘হঠাৎ কমে যাওয়ায়’ কিছু জাতের দাম বেড়েছে। তার দাবি, বন্দর থেকে পণ্য সময়মতো ডেলিভারি না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

বাদামতলী থেকে খেজুর কিনতে আসা আকরাম খান নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজানের শুরুতেই খেজুরের দাম বাড়ে। কিন্তু আজ এসে দেখি কেজিতে আরও প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে এই দাম নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।

অন্যদিকে কলার বাজারেও দাম বেশি। দেশি কলা ডজনপ্রতি ১২০ টাকা, সবরি কলা ১৮০ টাকা এবং সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা ডজন দরে।

লক্ষ্মীবাজারের কলা বিক্রেতা মো. ইউনুস বলেন, এ বছর ফলন কম হওয়ায় কলার দাম তুলনামূলক বেশি।

এদিকে নতুন তরমুজ বাজারে উঠেছে। তরমুজ প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩০০ টাকায়।

রায়সাহেব বাজারের বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুল জব্বার বলেন, তরমুজের মৌসুম পুরোপুরি শুরু হলে এর দাম কমে আসবে।

তিনি আরও জানান, তার দোকানে ফুজি আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৩২০ টাকা এবং গ্রিন আপেল ৪০০ টাকা কেজিতে। কমলার ক্ষেত্রেও আকার ও উৎসভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে ছোট কমলা ৩০০ টাকা, বড় কমলা ৩৫০ টাকা এবং দেশি কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের প্রভাব থাকায় অন্যান্য আমদানি করা ফলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host