1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের অবরোধ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

কৃষি-শিল্পখাতে তীব্র গ্যাস সংকটে ব্যাহত উৎপাদন: অথচ বিশ্ববাজারে এলএনজির দর ইতিহাসের সর্বনিম্ন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৫ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে এলএনজি’র দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পরও দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। স্পট মার্কেটে এলএনজি’র দাম ৯-১০ ডলার প্রতি এমএমবিটিউ’তে নেমে এসেছে, অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়মতো এলএনজি ক্রয় করে শিল্প-কারখানা ও সার উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এতে আসন্ন বোরো মৌসুমে সারের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)’র চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সার উৎপাদন কম হলে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হবে।

কাতার ও ওমানের সাথে ১৫ বছর মেয়াদী জিটুজি চুক্তি থাকলেও স্পট মার্কেট থেকে অতিরিক্ত এলএনজি ক্রয়ে সরকারের অপারগতা জ্বালানি ও কৃষি খাতের সাপ্লাই চেইনকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করেছে।

বিসিআইসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের ইউরিয়া কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানোর মতো পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছে না। সম্প্রতি এক চিঠিতে বিসিআইসি অর্থ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করেছে—আসন্ন বোরো মৌসুমের আগে ৫টি সার কারখানার মধ্যে অন্তত ৪টি চালু রাখতে কমপক্ষে ১৯৭ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হোক। কিন্তু বর্তমানে বরাদ্দকৃত গ্যাসে মাত্র দুটি কারখানা চালানো সম্ভব, যা বার্ষিক উৎপাদনকে ৯-১১ লাখ টনে সীমাবদ্ধ করবে—লক্ষ্যমাত্রা ১৮ লাখ টনের তুলনায় অনেক কম।

গত নভেম্বরে সার কারখানায় গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৯ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়, যার বিনিময়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা মিলছে না। ফলে দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকায় যন্ত্রপাতির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে এবং উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এলএনজি’র দাম কম থাকা সত্ত্বেও সময়মতো ক্রয় না করায় জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে কৃষি খাতে। সারের অভাবে বোরো উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং এতে আমদানি নির্ভরতা বাড়বে।

এ অবস্থায় জ্বালানি ও কৃষি খাতের সাপ্লাই চেইনের এই সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে। বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যাপ্ত গ্যাস না পেলে আমদানি বাড়াতে হবে, যা সরকারের ভর্তুকি বোঝা বাড়াবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host