1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইউনূসের মব বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন আসিফ নজরুল : আনিস আলমগীর জামালপুরে চাঁদা না পেয়ে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজহারীর পর এবার আহমাদুল্লাহর অস্ট্রেলিয়ান ভিসা বাতিল, উগ্রবাদীদের ছাড় নেই সাফ জবাব মন্ত্রীর চট্টগ্রামে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার, লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে, জ্বালানি সংকট ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর জোর ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ অসাম্প্রদায়িক বৈশাখি উৎসবের শোভাযাত্রা বন্ধের অপচেষ্টা, এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ উগ্র মতাদর্শীরা নিউইয়র্ক আদালতে জবানবন্দি দেবেন আহসান এইচ মনসুর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে মব জাস্টিস ঠেকাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি: আসিফ নজরুল জামালপুরে জ্বালানি তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ

সুজানগরের খাল ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত

ডিডিএন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৭৪ সময় দর্শন

পাবনার সুজানগর পৌর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের স্রোতস্বীনি ঐতিহ্যবাহী বান্নাই খাল কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে খালটি দিয়ে একদম পানি প্রবাহ বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে।

পৌরসভার চরভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মাস্টার জানান, ৬০’র দশক থেকে ৭০’র দশক পর্যন্ত বান্নাই খালটি ছিল স্রোতস্বীনি নদীর ন্যায় প্রবাহমান এবং বেশ গভীর। এ সময় পদ্মা নদীর সাথে বান্নাই খালের সংযোগ থাকায় এলাকাবাসী খালটিকে ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি সেচ এবং মৎস্য আহরণসহ নানা সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেন। কিন্তু ৭০’র দশকের শেষের দিকে বালু ও পলি জমে খালটির সাথে পদ্মা নদীর সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খালটি তার যৌবন হারিয়ে ফেলে। এর পর কালের পরিক্রমায় এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি খালের কিছু অংশ দখল করে বসতি গড়ে তোলায় স্রোতস্বীনি বান্নাই খাল শীর্ণ ডোবায় পরিণত হয়।

বান্নাই পাড়ের বাসিন্দা সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন পৌর বাজারের হোটেল ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হোটেলের উচ্ছিষ্ট খাবার ও অন্যান্য ময়লা-আবর্জনা উক্ত খালে ফেলে রাখে। তাছাড়া খালটি কচুরিপানায় ঢাকা পড়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী ঐ খালটি ভরাট হওয়ার পাশাপাশি পানি প্রবাহ বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে ঐ সকল ময়লা-আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে পৌর বাজারসহ আশ-পাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন কচুরিপানা পরিষ্কার এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে খালটি সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে যেতে পারে। হারিয়ে যেতে পারে এর অতীত ঐতিহ্য।

এ ব্যাপারে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম নবী বলেন ব্যবসায়ীদের বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা ওই খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। শিগগিরই কচুরিপানা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সূত্র: এফএনএস

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host