1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের অবরোধ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

চাকুরী ছেড়ে নৌকা পেয়েও হারলেন তিনি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৭০৮ সময় দর্শন
চাকুরী ছেড়ে নৌকা পেয়েও হারলেন তিনি
নুর-উন-নবী মন্ডল দুলাল

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি চাকুরি ছেড়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে গিয়ে পেয়েছিলেন নৌকা খানমরিচ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুর-উন-নবী মন্ডল দুলাল। তবুও বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে প্রায় ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন । বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও ভোটারদের নানা সমীকরণ চলছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছে এখন তিনি দু-কুলই হারিয়েছেন। প্রায় ১৩ বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাকুরির বয়স থাকতেই তিনি স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছিলেন।

জানা গেছে, খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদীঘি এলাকার বাসিন্দা নুর-উন-নবী মন্ডল দুলাল। দোহারী গ্রাম বেসরকারি রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের চাকুরী দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হলেও পরবর্তীতে ওই স্কুল জাতীয়করণ হলে তার চাকুরিও রাজস্ব খাতে চলে যায়। কিন্তু জাতীয় করণের আগেই জনগণের সেবা করার লক্ষ্যে তিনি ২০১১ সালে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেন । কিন্ত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তা বাতিল হয়। পরে আপীল করে মনোনয়ন বৈধ্যতা পেলেও নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন নি এবং ২০১৬ সালে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়ন আওয়ামীলী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুর রহমান আসদের নিকট তিনি পরাজয় বরণ করেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা আনুয়াযী সরকারি চাকুরি বাধা হওয়ার কারণে চাকুরির বয়স প্রায় ১৩ বছর থাকতেই স্বেচ্ছায় অবসরে যান।

এরপর থেকেই তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জনসংযোগ করতে থাকেন এবং নৌকা প্রতীক না পেলেও তিনি নির্বাচন করবেন বলে ঘোষনাও দিয়েছিলেন। কিন্তু কাকতালীয় ভাবে তিনি উপজেলা অওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুর রহমান আসাদকে পেছনে ফেলে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়ে যান। এরপরও দুই স্ত্রীকে দিয়ে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করে তিনি সমালোচনায়ও পড়েন।

কিন্তু গত রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খান মিঠু (ঘোড়া প্রতীক) ৮ হাজার ৯৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন ও নুর-উন-নবী মন্ডল দুলাল (নৌকা প্রতীক) ৬ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে হেরে যান। এতে তিনি সরকারি চাকুরি ছেড়ে ন্যেকা প্রতীক পেয়ে বিদ্রেহীর কাছে হেরে গেলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host