সাক্ষাৎকারে মামুনুল হক দাবি করেছেন, সেনাবাহিনী নির্বাচনী কার্যক্রমে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে—ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভোট কেন্দ্রে অনিয়ম সহায়তা করা এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির ববি হাজ্জাজের পক্ষে কাজ করেছে। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনী ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমার পরাজয় নিশ্চিত করেছে। এটা শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র।” এই অভিযোগের মাধ্যমে তিনি সেনাবাহিনীকে “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় হুমকি” বলে আখ্যায়িত করেছেন, যা সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার মৌলিক নীতিকে চ্যালেঞ্জ করে।
নির্বাচনের পর এটাই প্রথম কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এমন সরাসরি অভিযোগ। ইসলামী জোটের এই নেতা আরও বলেছেন, “সেনাবাহিনী নির্বাচনকে প্রভাবিত করে কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করেছে, যা অসাংবিধানিক এবং অগণতান্ত্রিক।” এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
https://www.facebook.com/share/v/1Bxw5uhXyf/
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অভিযোগ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিতে গুরুতর আঘাত হানতে পারে।
মামুনুল হকের এই সরাসরি অভিযোগের পর সেনাবাহিনী থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি, তবে সূত্র জানিয়েছে যে, তারা এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করতে পারে।
এই ঘটনা দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো দাবি করছে যে, এমন অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন, যাতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের অভিযোগ যাচাই করা যায়। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমার্থকদের মাঝে মামুনুল হকের এই অভিযোগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাস আর অনাস্থা জন্ম দিয়েছে।






