রুবেল মোল্লা নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, নির্বাচনের সময় সোহেল নিয়মিত দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতেন। সে সময় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি ইসলামের বিভিন্ন ধর্মীয় রেফারেন্স এবং কোরআনের শাসনের কথা বলে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করতেন।
একই সুর শোনা গেল রহিমা খাতুন নামের এক গৃহকর্মীর কণ্ঠেও। তিনি জানান, গত নির্বাচনের সময় অভিযুক্ত সোহেল তার স্বামীর কাছে এসে ভোট প্রার্থনা করেছিলেন। রহিমা খাতুন বলেন, সেদিন সে আমাদের বলেছিল, আমরা যদি ইসলামে বিশ্বাস করি, তবে যেন অবশ্যই দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিই।
এদিকে আসামি সোহেলের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) প্রোফাইল ঘেঁটে দেখা গেছে, তিনি উগ্র ও কট্টরপন্থী চিন্তাধারার বিভিন্ন কনটেন্ট শেয়ার করতেন। ফেসবুকে তিনি নিয়মিত শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং মিজানুর রহমান আজহারীর ওয়াজের ভিডিও ও ধর্মীয় ক্লিপ শেয়ার দিতেন। এছাড়াও, উসমান হাদীর পক্ষেও তার একাধিক পোস্ট ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে তার ফেসবুক প্রোফাইলে।
উল্লেখ্য, পল্লবীতে রামিসা নামের ওই শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই তার এমন রাজনৈতিক ও উগ্রবাদী সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।






