1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও রেমিট্যান্স কমায় ডলারের বাজারে নতুন চাপ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ সময় দর্শন

আমদানি বিল পরিশোধের চাপ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আবারও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আন্তঃব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও খোলা বাজারে ডলারের মূল্য নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ৩০ জুলাই আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায়। একই সময়ে স্পট মার্কেটে দর ছিল ১২৩ টাকা ৮৮ পয়সা, যা এক মাস আগেও ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা। তবে বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন। পণ্য আমদানির এলসি বা ঋণপত্রের দেনা মেটাতে অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রতি ডলার পেতে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ দুই ধরনের বাজার পরিস্থিতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সার ও জ্বালানিসহ বড় অঙ্কের সরকারি-বেসরকারি আমদানি বিল মেটাতে আগের চেয়ে অতিরিক্ত ডলার খরচ হচ্ছে।

এর পাশাপাশি রপ্তানির তুলনায় আমদানির পেছনে ব্যয় বৃদ্ধির গতিও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে আমদানি ব্যয় ৬.২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬,৪০২ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিপরীতে, একই সময়ে রপ্তানি আয় প্রায় ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,০০০ কোটি ডলারে। দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আসার চেয়ে বের হওয়ার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে সরাসরি টান পড়েছে।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎস রেমিট্যান্সের প্রবাহেও কিছুটা শ্লথগতি দেখা গেছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রেকর্ড ৩,৫৫৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসলেও দুই ঈদ পার হওয়ার পর থেকে এর প্রবাহ কমে আসে। টানা ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এলেও গত জুন ও জুলাই মাসে তা কমে যথাক্রমে ২৮২ কোটি ও ২৮৬ কোটি ডলারে নেমে আসে।

চড়া মাছ মুরগি ডিম চিনির দাম, কাঁচামরিচ-সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

বাজারের এই ভারসাম্যহীনতা সামাল দিতে সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কঠোর মৌখিক বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যেকোনো মাধ্যম থেকেই ডলার কেনার ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দর ১২৩ টাকা ৮২ পয়সার মধ্যে ধরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতের এই পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে খোলা বাজারেও (কার্ব মার্কেট)। রাজধানীর মতিঝিল এলাকার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে রোববার সাধারণ ক্রেতাদের কাছে প্রতি ডলার ১২৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৮০ পয়সা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অথচ মাত্র এক মাস পূর্বেও খোলা বাজারে ডলারের হাতবদল হয়েছে ১২৫ টাকা থেকে ১২৫ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে।

শাহীন স্বাধীন

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host