অনলাইন ডেস্কঃ প্রশ্নপত্র ফাঁস, অটোপাস, শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ, ক্যাম্পাসে ভিন্নমত দমন। নানা অনিয়ম-অসঙ্গতিতে নাজুক ছিল গত দেড় দশকের শিক্ষাখাত। এমন দশা থেকে টেনে তোলার দায়িত্ব পড়ে বিএনপি সরকারের কাঁধে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা টোটাল একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করার কাজ করছি। লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অ্যাসেসমেন্ট, এআই বেসড অ্যাসেসমেন্ট সিস্টেম, স্কুল ম্যানেজমেন্ট ইআরপি সিস্টেম। এটির জন্য টিচারদেরও তৈরি হতে হবে, ট্রেনড হতে হবে। ক্লাসরুমটা রেডি হতে হবে—এগুলো লম্বা প্রসেস, এক রাতের প্রসেস না। এই সবকিছুরই কাজ শুরু হয়ে গেছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, এই ছয় মাসে নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন না করাটা সরকারের বড় দুর্বলতা। কেননা, দীর্ঘদিনের সংকট শুধু নতুন প্রকল্প দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, শিক্ষায় অগ্রাধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে একটা কমিশন এবং সেই কমিশনকে যদি দায়িত্ব দেয়া হয় যে, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা মর্যাদার বিষয়টা। স্থায়ী বেতন কমিশন শিক্ষকদের জন্য অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।
শিক্ষাবিদ মজিবুর রহমান বলেন, সবার আগে নীতিমালাটা হওয়া উচিত যে যোগ্যদেরকে-দক্ষদেরকে আমি শিক্ষকতা নিয়ে আসব। কারিকুলাম, টেক্সটবুক, টিচার লার্নিং প্রসেস, পরিকল্পনা ঘাটতি থাকলেও ওই মানসম্মত শিক্ষক সেই ঘাটতিগুলো দূর করে ফেলতে পারে।
সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে, আগামী বছর থেকে মাধ্যমিকে কারিগরি শিক্ষা ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা, পাঠ্যবই পরিমার্জন এবং গবেষণায় ইনোভেশন গ্র্যান্ট চালুসহ বেশ কিছু উদ্যোগ।