কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রেও ড্রাগন ফল খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ফলের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তবে কিডনি রোগীদের ড্রাগন ফল সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে—এমন নয়। কিডনির রোগের ধরন, রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা এবং রোগী কী ধরনের ওষুধ গ্রহণ করছেন, এসব বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন কতটুকু ড্রাগন ফল খাওয়া যাবে।
এ ছাড়া গর্ভবতী নারী ও স্তন্যদানকারী মায়েরা পরিমাণমতো ড্রাগন ফল খেতে পারেন। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত ফল খাওয়া ঠিক নয়।
কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকলে পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া যেতে পারে। তবে অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ড্রাগন ফল রাখার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।