সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাট হাতে পাকিস্তানিদের শাসন করছে বাংলাদেশ। চা বিরতির আগে বাংলাদেশ লিড হয়ে গেছে পাহাড়সম, ইতোমধ্যে ছাড়িয়েছে সাড়ে তিনশ। এখনও ৪ উইকেট হাতে আছে টাইগারদের। লিটন দাসের পর মুশফিকুর রহিমও হাঁকিয়েছেন ফিফটি। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ মাহমুদুল হাসান জয়ের ৫২ ও মুমিনুল হকের ৩০ রানে ভর করে ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করে। তৃতীয় দিন সকালেই শান্তকে শিকার করেন খুররম শাহজাদ, এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি টাইগার দলপতি। তবে এরপর ক্রিজে নেমে লিটন দাস শুরু করেন সাবলীল ব্যাটিং। সঙ্গ দেন মুশফিকুর রহিমকে। ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে লাঞ্চ বিরতিতে যান দুজনে। শেষপর্যন্ত এই জুটি ভাঙে ১২৩ রানে। আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো লিটন এবার ৯২ বলে ৬৯ রান করেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরলে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে শতকের পথে হাঁটছেন মুশফিক। চা বিরতির আগপর্যন্ত ৭৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ, লিড ৩৫৩ রান। মুশফিক ১৫৫ বলে ৯০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। তার সঙ্গী ২০ বলে ৮ রান করা তাইজুল। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ পেয়েছেন ৪ উইকেট। পাকিস্তান অবশ্য চা বিরতির পর নতুন বল নিতে পারবে। তাতে দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশকে অলআউট করার কথা ভাবতেই পারে সফরকারীরা। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থাকা মুশফিক আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ২ হাজার রান করার কীর্তি গড়েছেন। একইসাথে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১৬ হাজার আন্তর্জাতিক রানের রেকর্ডও গড়েছেন।
সিলেট টেস্টে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লিটন দাসের ১৫৯ বলে গড়া ১২৬ রানের ইনিংসে ২৭৮ রান জড়ো করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি ও মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি উইকেট শিকার করেন। জবাব দিতে নেমে বাবর আজমের ৬৮ ও সাজিদ খানেদ ঝড়ো ৩৮ রানে ভর করে ২৩২ রান জড়ো করতে সমর্থ হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ পায় ৪৬ রানের লিড। টাইগারদের পক্ষে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম তিনটি করে এবং তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।