1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

পাম্প নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট-ক্ষতির মুখে কৃষক

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৫ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

মৌলভীবাজারের কাওয়াদীঘি হাওর এলাকায় প্রান্তিক কৃষকদের ফসল রক্ষায় নির্মিত মনু প্রকল্প এখন তাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঘের ইজারাদারদের যোগসাজশে কাশিমপুর পাম্প হাউস পরিচালনায় অনিয়ম হচ্ছে প্রকাশ্যে। এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এর ফলে চলতি বোরো মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় সহস্রাধিক হেক্টর জমির ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনগরের কাশিমপুর পাম্প হাউস থেকে নিয়ম অনুযায়ী পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে না। ফলে হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোমরসমান, কোথাও বুকসমান পানিতে ডুবে আছে ধানক্ষেত। এতে হারভেস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না, আবার শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতেও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত মজুরি। অনেক ক্ষেত্রে জমির ধান কাটাই সম্ভব হচ্ছে না, ফলে কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

 

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত কাওয়াদীঘি হাওর জেলার অন্যতম শস্যভান্ডার। কৃষকদের সুবিধার্থে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ-কুয়েত যৌথ উদ্যোগে মনু ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এর অংশ হিসেবে কাশিমপুরে স্থাপন করা হয় পাম্প হাউস, যার মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানি সরবরাহ এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি কুশিয়ারায় নিষ্কাশনের কথা।

 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মনু প্রকল্প এলাকায় মোট ১০ হাজার ২৪০ হেক্টর জমি রয়েছে, যার মধ্যে কাওয়াদীঘি হাওরে ছয় হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। জেলার অন্যান্য হাওরে ধান কাটা অর্ধেকের বেশি শেষ হলেও কাওয়াদীঘিতে এখনো অধিকাংশ জমির ধান কাটা হয়নি।

স্থানীয় কৃষক রনি আহমদ মিজু জানান, তার ১৭ কেয়ার জমির মধ্যে মাত্র দেড় কেয়ারের ধান কাটতে পেরেছেন। তার অভিযোগ, মাছের ঘের রক্ষায় পানি আটকে রাখা হচ্ছে। পাম্প হাউসের আটটি পাম্পের মধ্যে মাত্র চারটি চালু রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একই অভিযোগ করেন কৃষক শেখ আহবাবুর রহমানও। তিনি বলেন, ইজারাদারদের স্বার্থে পানি নিষ্কাশন বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পানির স্তর বেশি থাকলেও প্রতিদিন বৃষ্টি ও আশপাশের পানি প্রবাহিত হয়ে হাওরে জমা হওয়ায় পানি কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকায় সব পাম্প একসঙ্গে চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কাওয়াদীঘি হাওরের কৃষকদের ব্যাপক ফসলহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host