1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে জামালপুরের কাঁচা মরিচ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৯ সময় দর্শন

 

 

জামালপুর প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিতে জামালপুরে উৎপাদিত কাঁচা মরিচ এখন মালয়েশিয়ায় রপ্তানি শুরু হয়েছে। জেলার বিস্তীর্ণ আবাদি জমিতে, বিশেষ করে চরাঞ্চলে কাঁচা মরিচের চাষ হয়। চলতি মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আবাদ ও উৎপাদন কিছুটা কমেছে। তবুও বাজারে দাম বেশি থাকায় কৃষকরা লাভের মুখ দেখছেন। জেলায় উৎপাদিত হাইব্রিড জাতের মরিচ এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। কৃষকরা স্থানীয় বাজারের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি দাম পাচ্ছেন। এতে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। জামালপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ মৌসুমে ৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ এবং ৮৬ হাজার ৩৬২ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে। মাদারগঞ্জ উপজেলার গাবেরগ্রাম বাজারের ব্যবসায়ী মালেক মিয়া জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে মরিচ কিনছেন। স্থানীয় বাজারদরের চেয়ে কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি দাম দিচ্ছেন। এসব মরিচ প্যাকেটজাত করে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। প্রতিটি কার্টুনে থাকে ৯ কেজি মরিচ। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ৭০০ টন মরিচ রপ্তানি হয়েছে। স্থানীয় বাজারে যেখানে কেজিপ্রতি দাম ২৮ টাকা, সেখানে রপ্তানিযোগ্য মরিচের জন্য ৩৪ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকরা সম্মিলিতভাবে প্রায় ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় করেছেন। এই রপ্তানি কার্যক্রম শুধু কৃষকদের ভালো দাম নিশ্চিত করছে না, বরং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও ভূমিকা রাখছে। মালয়েশিয়ায় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গুণগত মান বজায় রাখতে পারলে এ খাতে বিপুল সম্ভাবনা আছে। কৃষক আবদুল রহিম বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এবার ফলন কম হয়েছে। তবে দাম বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রপ্তানির কারণে আমরা ভালো দাম পাচ্ছি, এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক। আরেক কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, সারের দাম বেড়েছে। ফলন ভালো না হলে খরচ উঠানো কঠিন। তবে রপ্তানির কারণে দাম কিছুটা ভালো, আশা করছি অন্তত খরচটা উঠে আসবে। জামালপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খান জানান, মাদারগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার কাঁচা মরিচ বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তিগত রপ্তানিকারকের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। রপ্তানিযোগ্য মান নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host