স্টাফ রিপোর্টার
ইসরায়েল ও ভারতের মধ্যে ৯ বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীকে ইসরায়েলে মুসলমান রাষ্ট্র মালদ্বীপের মতো লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েল একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, যার নাম “হেক্সাগন অ্যালায়েন্স” অর্থাৎ ষড়ভূজ জোট। ইসরায়েলের এই হেক্সাগন অ্যালায়েন্স এর সদস্য হচ্ছে এখন ভারত। ভারতের উপর কোন হামলা ইসরায়েলের উপর হামলা বিবেচিত হবে। এই হেক্সাগন অ্যালায়েন্স এর আঞ্চলিক কাঠামোর নেতৃত্ব দিবে ভারত।
নেতানিয়াহু এই জোটের উদ্দেশ্য বলেন, এই জোটের লক্ষ্য উগ্রপন্থী অক্ষ মোকাবেলা করা। এই তালিকায় ইরানের পরেই নাম পাকিস্তানের। ইরান হচ্ছে শিয়া অক্ষ আর পাকিস্তান হচ্ছে সুন্নী অক্ষ। ভারত এই জোটের তালিকাভুক্ত হওয়ার এশিয়ায় মৌলবাদ নির্মূলে ভারত ও ইসরায়েল এখন থেকে একসাথে কাজ করবে।
মৌলবাদ ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের অন্যতম বড় সমস্যা।
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ট্রেনিং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে আগামী দিনের জন্য মোসাদের মতো এক দূর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থায় পরিণত করবে এতে কোন সন্দেহই নেই। এই জায়গায় ভারত এতদিন অনেক পিছিয়ে ছিলো। এমনি নির্ভূল টার্গেটেড বিস্ফোরণ আমরা অপারেশন সিদূর এর মধ্যে দেখেছি। ভারতের যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন দেখে বিস্মিত হয়েছিলাম তার পেছনে ছিল ইসরায়েলের অবদান।
নরেন্দ্র মোদীর ২০১৭ সালের ইসরায়েল সফরের পর থেকে সমগ্র বিশ্ব ভারতের এক নতুন রূপ দেখেছে। ইসরায়েলের সাথে যৌথভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে ভারত অনেক এগিয়ে গেছে, যাচ্ছে । এসব পাকিস্তানের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে।
ইসরায়েল এখন থেকে ভারতকে এমন কিছু গোপন সামরিক টেকনোলজি দিবে যা অতীতে কাউকেই দেয়নি। এই আওতায় ইসরায়েল ভারতকে ১০০ কিলোওয়াট উচ্চ ক্ষমতার লেজার উইপন আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির এসব চুক্তি আছে। সব মিলিয়ে ইসরায়েলের সাথে এই মধুর সম্পর্কের ফলে ভারতের ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রি আগামী দশ বছরের মধ্যে এক অনন্য উচ্চতায় চলে যাবে।প্রযুক্তিতে ইসরায়েলের সহায়তায় ভারত আগামীতে মহাকাশে চীনের সাথে প্রতিযোগিতা গড়ে তুলবে। ভবিষ্যতে রাশিয়াকে পেছনে ফেলে ভারত তৃতীয় স্থান দখল করে নিবে।বিশ্ব বাণিজ্য বাজার দখলের পাশাপাশি প্রযুক্তির বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করবে ভারত। হেলিকপ্টার, যুদ্ধ বিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মহাকাশযান সহ আগামীদিনের মহাকাশে ভারতের নিজস্ব আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তৈরিতে ভারত ও ইসরায়েল সম্পর্ক পৃথিবীর এক নতুন গতিপথ ও সম্পর্কের নতুন সমীকরণ তৈরি করবে। বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক বিশেষ অবদান রাখবে।
বিশ্বব্যাপী তুরস্কের মৌলবাদী প্রভাব মোকাবেলায় ভারত ও ইসরায়েলের সাথে এই জোটে আছে গ্রীস ও সাইপ্রাসের মত দেশগুলো। যারা বলেন , ভারত গাজার কসাই ইসরায়েলের সাথে হাত মিলিয়েছে, তাদের জানা উচিত বেলুচিস্তানের কসাই পাকিস্তানের জঙ্গীবাদ নির্মূল করতে এটা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।রোযার মাসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান দুই ভাই যেভাবে একে অপরকে হত্যা করে সেহরি খাচ্ছে তাতে এই মৌলবাদ আগামীদিনে ভারতের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিতে পারে। এই মৌলবাদ নির্মূলে ভারত এখন থেকে ইসরায়েল নামক ভ্যাকসিনের যথাযথ প্রয়োগ করবে। ভারতের দক্ষ জনশক্তি ভারত ও ইসরায়েল সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
রাশ্মিকা মান্দানার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় জামায়াতের গ্রাম্য আমীর মুফতী আমীর হামজার লুঙ্গি খুলে যাওয়ার বিষয়ে যারা চিন্তিত, তাদের আগামীদিনে পাকিস্তানের লুঙ্গি খুলে যাওয়ার ভয় এখনি গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিচ্ছে। যে সব পঙ্গপাল এতদিন ভারত দখলের দিবা স্বপ্ন দেখতো, এই দৃশ্য দেখার পর তাদের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তান পাকিস্তানের লুঙ্গি যেভাবে খুলছে , যেভাবে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাকামী মানুষ পাকিস্তানী সৈন্যদের প্যান্ট খুলে নিচ্ছে , এমনকি বাংলাদেশের ভেতরে জামায়াতের মৌলবাদ যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে শুরু করেছে তাতে করে ভারত ও ইসরায়েল এই হেক্সাগন অ্যালায়েন্স আগামীদিনে এশিয়ায় মৌলবাদীদের অন্যতম আতঙ্ক হিসেবে কাজ করবে এতে কোন সন্দেহই নেই।
ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভারতের নরেন্দ্র মোদীর সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে বলেছিলেন, “আমরা ভূমধ্যসাগরের জলে একসাথে হেঁটেছিলাম এবং তার পর থেকে ভূমধ্যসাগর, গঙ্গা এবং জর্দানে অনেক জল প্রবাহিত হয়েছে, যদিও জর্দানে কম।” এটা একটা আঙ্গুলের ইশারা ও ইঙ্গিত ছিলো। ভারত ও ইসরায়েলের কৃষি ও পানি এক্ষেত্রে কৌশলগত অংশীদারি ভারতকে বিশ্ব দরবারে অনেক এগিয়ে দিয়েছে। জাপানকে পেছনে ফেলে ভারত এখন পৃথিবীর চতুর্থ অর্থনৈতিক শক্তি হয়েছে।
ইসরায়েল – গাজা যুদ্ধে ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার জন্য আপনি ইসরায়েল কে দোষারোপ করছেন, কিন্তু আফগানিস্তানে পাঁচ লাখ মুসলমান ও বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ মানুষ হত্যার জন্য পাকিস্তানকে মাথায় তুলে নাচতেছেন, তবে আপনার মগজে সমস্যা আছে। রোযার মাসে বোমা হামলা করে আফগানিস্তানের ৯ জন শিশু সহ ৭০ জন হত্যার পরও আপনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিয়ে ইসরায়েলের সমালোচনা করবেন তবে আপনার পুরো মাথাই ভাইরাস/ ক্যান্সার হয়ে পচে গেছে। এর সুচিকিৎসা প্রয়োজন। এই তথাকথিত মগজের সমস্যাই এখন বাংলাদেশের মধ্যে ” শাউ মাউ হাদী” নামে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। এসব উন্মাদদের মানসিক চিকিৎসার জন্য এখন থেকেই ভারতের “র” ও ইসরায়েলের “মোসাদ ” একসাথে কাজ করবে। জ-ঙ্গী স্থাপনায় নির্ভূল হামলার এই কৌশল ইসরায়েল ভারতকে শিখিয়েছে। প্রযুক্তির এসব উন্নত আপডেট ইসরায়েল ভারতকে সরবরাহ করেছে, যা ভারতের জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য খুব জরুরী। ভারত ও ইসরায়েলের এই সুসর্ম্পক আগামীদিনে দক্ষিণ এশিয়া থেকে চিরতরে মৌলবাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে পৃথিবীর ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।