তেরখাদা প্রতিনিধি :
খুলনা-৪(তেরখাদা-রূপসা-দিঘলিয়া
সরেজমিনে তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজার ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই আজিজুল বারী হেলালকে দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক মুখ হিসেবে দেখছেন। ভোটারদের একাংশের মতে, তিনি নিয়মিত এলাকায় আসেন, সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপে উঠে এসেছে, আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হলেও তিনি এলাকায় যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। এসব কারণে কিছু ভোটারের মধ্যে তার প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।
তেরখাদা উপজেলা সদর এলাকার প্রবীণ ভোটার ইলিয়াস শেখ বলেন, অনেক জনপ্রতিনিধিকে দেখেছি, কিন্তু নির্বাচনের পর এলাকায় খুব একটা দেখা যায় না। হেলাল নিয়মিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এটাই ভালো লাগে।
তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, আজিজুল বারী হেলালের নেতৃত্বে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি এসেছে। ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক বৈঠক বেড়েছে। বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে তারা দাবি করছেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খুলনা-৪ আসনের ভোটের সমীকরণ বরাবরই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে বিভিন্ন দল ও প্রার্থীর নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। তাই শুধুমাত্র মাঠের উপস্থিতি নয়, নির্বাচনের দিন ভোটার উপস্থিতি ও সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বড় প্রভাব ফেলতে পারে।আজিজুল বারী হেলাল বলেন,
“আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তা বাস্তবায়নে খুলনা-৪ এর মানুষ সচেতন ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।”
সব মিলিয়ে, নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, খুলনা-৪ আসনের রাজনৈতিক সমীকরণ ততই স্পষ্ট হচ্ছে। ভোটের মাঠে বিএনপির প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালকে ঘিরে আলোচনার মাত্রা বাড়লেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে ভোটারদের হাতেই যার প্রতিফলন দেখা যাবে ব্যালট বাক্সে।






