একদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে শোক ও উৎকণ্ঠার আবহ, অন্যদিকে গতকাল রাত থেকেই ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের শুভ সূচনায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশবাসী।
রাজনীতির আকাশে দীর্ঘদিনের এক পরিচিত নাম বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর রাজনৈতিক অবদান, গণতন্ত্রের আন্দোলনে ভূমিকা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ—সবকিছু মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁকে ঘিরে যেকোনো শোকাবহ খবর বা অনিশ্চয়তা সাধারণ মানুষের মনে গভীর আবেগের জন্ম দেয়। ঠিক সেই সময়েই ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে শুরু হয়েছে শুভ নববর্ষ উদযাপন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আতশবাজি, আলোকসজ্জা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভ নববর্ষের বার্তায় ভরে ওঠে রাত।
এই দুই বিপরীত অনুভূতির মিলনেই যেন আজকের বাংলাদেশ—
শোক আছে, আবার আশাও আছে। বেদনা আছে, আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও আছে।
সাধারণ মানুষ বলছে, “নববর্ষ মানেই শুধু আনন্দ নয়, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে পথচলার অঙ্গীকার।”
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে দেশের মানুষ চায়—
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ, শান্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা।
শোক ও আনন্দের এই যুগপৎ অনুভূতি নিয়েই বাংলাদেশ পা রাখল আরেকটি নতুন বছরে—আশা করা যায়, আগামীর দিনগুলো হবে আরও আলোকিত।