1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি দাম ১৭২৮, বিক্রি ২২শ-২৩শ টাকায়: এলপিজির বাজার অস্থির উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও তার স্বামীর সর্বগ্রাসী প্রতিষ্ঠান, পর্বতসম সম্পদের তৈরির গোমর ফাঁস ইউনূসের মব বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন আসিফ নজরুল : আনিস আলমগীর জামালপুরে চাঁদা না পেয়ে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজহারীর পর এবার আহমাদুল্লাহর অস্ট্রেলিয়ান ভিসা বাতিল, উগ্রবাদীদের ছাড় নেই সাফ জবাব মন্ত্রীর চট্টগ্রামে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার, লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে, জ্বালানি সংকট ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর জোর ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ অসাম্প্রদায়িক বৈশাখি উৎসবের শোভাযাত্রা বন্ধের অপচেষ্টা, এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ উগ্র মতাদর্শীরা নিউইয়র্ক আদালতে জবানবন্দি দেবেন আহসান এইচ মনসুর

কক্সবাজারে ওঠানামা করবে বোয়িংয়ের বিমান

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৯৩ সময় দর্শন

সমুদ্রতীরের রানওয়েতে নামবে বিশাল আকৃতির উড়োজাহাজ। পর্যটকের সুবিধার্থে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়া হবে এ বিমানবন্দরকে। কক্সবাজারের বিমানবন্দরে ওঠানামা করতে পারবে বোয়িংয়ের মতো বড় বড় উড়োজাহাজ। এ লক্ষ্যে শিগগিরই শুরু হবে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ। রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ পেয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেবিচকের সদর দফতরে বেবিচক কর্তৃপক্ষ ও চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটারওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিপত্রে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান এবং চীনা প্রতিষ্ঠানটির অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. ইয়াং জিজুন স্বাক্ষর করেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেন। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৬০০ কোটি টাকা। মার্চে গ্রাউন্ড ব্রেকিং উদ্বোধন আর আগামী ৩ বছরের মধ্যে ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষে রানওয়ে বড় বিমান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আকাশ পথে দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপন করার লক্ষ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে বড় পরিসরে বিমান চলাচলের উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করতে বর্তমান রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি নেওয়া হয়। কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বড় বড় উড়োজাহাজ কক্সবাজার রুটে চলাচল করতে পারবে। দেশে প্রথমবাররে মতো সমুদ্রের ভেতরে ব্লক তৈরি করে রানওয়ে নির্মাণ করা হবে। সমুদ্রের তীর ঘেঁষে অত্যাধুনিক এজিএল পদ্ধতিতে রানওয়ে করা হবে, যেন অন্ধকারে উড়োজাহাজ উড্ডয়ন অবতরণের দৃশ্য দেখা যায়।

বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৯ হাজার ফুট রানওয়ে আছে। এটিকে মহেশখালী চ্যানেলের দিকে আরো এক হাজার ৭০০ ফুট সম্প্রসারিত করে মোট ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হচ্ছে। বর্ধিত রানওয়ের এক হাজার ৩০০ ফুটই থাকবে সাগরের পানির নিচে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host