1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের অবরোধ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

জনতার হাতে আটক মাদ্রাসাশিক্ষক, বারবার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা মাদ্রাসার রাঁধুনি বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৪৪ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জোরপূর্বক গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের নাম সাব্বির আহমদ। তিনি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও জনতরী গ্রামের মোহাম্মদ তাজউদ্দিনের ছেলে এবং নাঙ্গলকোট উপজেলার শ্রীহাস্য ছিদ্দিক আলী মোয়াল্লেম শাহ হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করে আসছিলেন। সেই সুবাদে শিক্ষক সাব্বির আহমদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

অভিযোগ উঠেছে, তরুণীর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতার সুযোগ নিয়ে ওই শিক্ষক মাদ্রাসার ভেতরেই তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাতের ক্ষতিকর ওষুধ খাওয়ানো হয়। এতে তরুণীর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন যে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং এই অবস্থায় তাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে।

চিকিৎসকের কাছ থেকে সত্য জানার পর পরিবারের লোকজন গভীরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী নিজের ইশারায় অভিযুক্ত শিক্ষক সাব্বির আহমদকে ধর্ষক হিসেবে শনাক্ত করেন।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষককে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। ১৫ই মে শুক্রবার রাতে এভাবেই জনতার হাতে হাতেনাতে ধরা পড়েন সাব্বির আহমদ।

খবর পেয়ে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

১৬ই মে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী তরুণীর প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host