এদিকে, শিক্ষা বোর্ডের অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকালে বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করার পর পুরাতন ও ময়লা কাগজের একটি বান্ডেল পরীক্ষার উত্তরপত্র বহন করার প্যাকেট বা বস্তায় করে ট্রলিতে করে বাইরে নিয়ে গেছে। তবে এ সময় বোর্ডের গেটে কোনো চেকিং বা নিরাপত্তাকর্মীরা কোনো জিজ্ঞাসাবাদও তাদের করেনি। ফলে ওই প্যাকেটে আসলে কী ছিল তা সঠিকভাবে কেউই বলতে পারছেন না।
অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র শিক্ষাবোর্ড থেকে পরীক্ষকদের মাঝে বিতরণের এই সময়ে এভাবে শিক্ষাবোর্ডের লোগো সংবলিত এবং পরীক্ষার নাম, তারিখ ও সাল লেখা প্যাকেট বা বস্তায় করে কিভাবে পুরাতন কাগজ বা খাতা বোর্ডের বাইরে নিয়ে গেলো? এই খাতা নিয়ে যাওয়ার অনুমতিইবা দেয়া হলো কেন— তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে আজ দুপুরের দিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারকে তার মোবাইলফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর এবং এ বিষয়ে শিক্ষাবোর্ড কি ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘উত্তরপত্র চুরি যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের এখান কয়েকস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।’ পরে তাকে চুরি যাওয়া খাতা বা বস্তার ট্রলিসহ ছবিও পাঠানো হয়েছে।






