স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলি ও পরবর্তী গণপিটুনিতে নুর হাসান (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত নুর হাসান এলাকায় ‘বাইন্না ডাকাত’ নামে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে।
পাহাড়জুড়ে গোলাগুলি ও ধাওয়া ১ মে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে টেকনাফের লেদা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২৬) পাহাড়ি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোহিঙ্গা নেতারা জানান, সন্ধ্যার দিকে শিবিরের পাহাড়ি এলাকায় রোহিঙ্গাদের দুটি সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। নুর হাসান এই দুটি গ্রুপের একটির সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
গোলাগুলি শেষে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সদস্যদের নজরে পড়েন নুর হাসান। এ সময় তাকে আটক করে বেধড়ক পিটুনি দেওয়া হয়।
রাত সাড়ে আটটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লেদা ক্যাম্পে আইওএম পরিচালিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ”পূর্বশত্রুতার জেরে এই পিটুনির ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তি একজন চিহ্নিত ডাকাত। বর্তমানে ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।”
পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।






