স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নম্বর বাঁকড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়খলশী গ্রামে একজন জামায়াত কর্মীর লালসার শিকার হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী এবং এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ইশারত আলী।যিনি এলাকায় সক্রিয় জামায়াত কর্মী হিসেবে পরিচিত। তার এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ইশারত আলী গ্রামের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে রাতের অন্ধকারে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন। ওই নারী চিৎকার করলে পথচারী এক মুরুব্বি বিষয়টি দেখে ফেলেন। ঘটনার পর থেকেই লোকলজ্জার ভয়ে ইশারত আলী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন।
এরই মধ্যে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া আরও এক স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রামে দেখতে পেয়ে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং প্রকাশ্যে তাকে জুতাপেটা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এলাকায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত ইশারত আলী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এর আগেও নানা অপকর্ম করে পার পেয়ে গেছেন।
একদিকে ধর্মীয় আবরণে জামায়াত রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা এবং অন্যদিকে নারী ও শিশুদের সাথে এমন অমানবিক আচরণে গ্রামবাসী স্তম্ভিত।
বড়খলশী গ্রামের সাধারণ মানুষ ও সচেতন সমাজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে লম্পট ইশারত আলীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, এ ধরনের “অমানুষকে” উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া না হলে সমাজে নারী ও শিশুরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।






