1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৯ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

একসময় বিশ্বের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী দেশের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে ছিল বাংলাদেশ। ধান, মাছ-মাংসসহ প্রধান খাদ্য উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু ২০২৪-এর সংঘাত ও রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর সেই অবস্থায় ধস নেমেছে। গত বছর বিশ্বে তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার মুখে পড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে। শুক্রবার প্রকাশিত বার্ষিক “গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস”-এ এই তথ্য জানানো হয়। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটে আক্রান্ত মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশে বসবাস করে। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ রয়েছে সুদান, নাইজেরিয়া এবং ডিআর কঙ্গোতে।

খাদ্য অনিরাপত্তায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, ডিআর কঙ্গো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন।

প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ ও সিরিয়ার মতো কয়েকটি দেশে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও জিম্বাবুয়ের মতো দেশে অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অগ্রগতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

গত বছর ৪৭টি দেশ বা অঞ্চলের প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগেছে, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে যুদ্ধ ও সংঘাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের চরম প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

প্রতিবেদন সতর্ক করে বলেছে, সংঘাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ২০২৬ সালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এবং বছরটি ‘ভয়াবহ’ রূপ নিতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন ঘটায় জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। এর ফলে সার উৎপাদনের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সরাসরি কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রধান আলভারো লারিও বলেন, সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে চলতি মৌসুমে কৃষি উৎপাদন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

তিনি ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য জলবায়ু সহনশীল ফসল চাষে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host