1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

ইউনূস সরকারের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক ছিলনা: ব্যারিস্টার সারা হোসেন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৮ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বিচারব্যবস্থা সংস্কার ও সাম্প্রতিক প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, ইউনূসের বিচারব্যবস্থা সংস্কার কমিশনে কোনো নারী আইনজীবী বা বিচারপতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি; একইভাবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও একজন নারী সদস্য পর্যন্ত রাখা হয়নি। গণভোটের তৃতীয় প্রশ্ন সম্পর্কেও সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ধারণা ছিল না।

তিনি বলেন, সংস্কারের ৩০টি প্রস্তাব কী ছিল, সে বিষয়ে জনগণ অবগত না থাকায় তারা আসলে কীসের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। এ কারণে অন্তর্র্বতী সরকারের অধীনে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক বলা যায়না।

২১শে এপ্রিল, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংস্কার: সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, আদালতের নির্দেশনা ও জনআকাঙ্ক্ষা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

সারা হোসেন বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল পূর্বনির্ধারিত; সীমিত কয়েকজনকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে গণতন্ত্রের কোনো প্রতিফলন ছিলনা।

তিনি বলেন, কীসের নির্বাচন, কে অংশ নিল বাইরের কেউ কি মতামত দিতে পেরেছে? কেউ না।

এছাড়া সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জুলাই সংঘাতের পর শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকদের পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং অনেক বিচারককে হঠাৎ করে অপসারণ করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায়দানকারী সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক-কে মিথ্যাভাবে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সারা হোসেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত মাস পার হলেও এখনো কোনো মামলার চার্জশিট দাখিল হয়নি—যেখানে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, তার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের বিষয় নিয়ে নাগরিক সমাজ, বার কাউন্সিল বা সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতির নীরবতা উদ্বেগজনক।

সবশেষে, অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ পুনর্বহালের পক্ষে মত দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host