1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে ব্যাংক খাতেই বেশি নির্ভরতা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৬ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে গিয়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত এক বছরে এই ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারির শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা। এক বছর আগে একই সময়ে এ ঋণ ছিল ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি—এই সাত মাসে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকেই নেওয়া হয়েছে ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের সিংহভাগ। বিপরীতে ব্যাংক-বহির্ভূত খাত থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। আগের বছরে চিত্রটি ছিল উল্টো—তখন ব্যাংক-বহির্ভূত উৎস থেকেই বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হওয়া এবং বৈদেশিক সহায়তা প্রত্যাশা অনুযায়ী না পাওয়ায় সরকারকে অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভরতা বাড়াতে হচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচনসংক্রান্ত ব্যয়, নতুন ব্যাংকে বিনিয়োগ এবং প্রশাসনিক ব্যয়ও ঋণ বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা (অনুদানসহ), যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩.৫ শতাংশ। অনুদান বাদ দিলে এই ঘাটতি দাঁড়ায় ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।

এই ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অ-ব্যাংকিং উৎস থেকে ২১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

তবে বাস্তবে ঋণ নেওয়ার গতি পরিকল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে। অর্থবছরের প্রথম নয় মাসেই (৩০ মার্চ পর্যন্ত) সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫১ কোটি টাকা—যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি।

সব মিলিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ব্যাংক-বহির্ভূত খাতে ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এদিকে সরকারের বৈদেশিক ঋণও উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে এটি ১১৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ১৩ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকার সমান।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব ঘাটতি ও বৈদেশিক অর্থপ্রবাহে অনিশ্চয়তা থাকলে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। এতে ব্যাংক খাতের তারল্য এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host