এফ-ফিফটিন ফাইটার ধ্বংসের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরেকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, মার্কিন এ-টেন যুদ্ধবিমানটিতে আঘাত হানার পর শুক্রবার সেটি হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত এফ-ফিফটিন বিমানের দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে ইরানে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা। নিখোঁজ মার্কিন ক্রুকে জীবিত ধরিয়ে দিলে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইরান। রয়টার্স জানিয়েছে এসব খবর।
অপারেশন এপিক ফিউরি অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে, ইরানের একের পর এক বিধ্বংসী হামলা যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশ্বাসের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে। সবশেষ একদিনে দুইটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে নিজেদের সক্ষমত্তাই প্রমাণ করেছে ইরান।
শুক্রবার ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া এফ-ফিফটিনই যুদ্ধবিমানের উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিল একটি এ-টেন ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান। সেটিও হামলার শিকার হয়েছে। দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, বিধ্বস্ত এফ-ফিফটিনই যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটের একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুটি মার্কিন বিমান হামলার মুখে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় এ-টেন ওয়ারথগ যুদ্ধবিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পাইলট ইজেক্ট করে সাগরে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে গুলি চালানো হলে হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত ও কয়েকজন ক্রু আহত হন। তবে সেগুলো নিরাপদে ফিরতে পেরেছে, বলছে ফক্স নিউজ। বিধ্বস্ত এফ-ফিফটিন বিমানের দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অভিযান শুরু করে ইরানও। ঘোষণা করা হয় পুরস্কার।
এরআগে, নিজস্ব নতুন উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এমনটা জানান দেশটির খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের যে দাবি করেছেন ইরান তা ভুল প্রমাণ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।






