1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক মার্কিন সেনা উপস্থিতি, স্থল অভিযানের পথে হাঁটছেন ট্রাম্প?

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৮০ সময় দর্শন
প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ অবসানে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সমান্তরালভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার উপস্থিতি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো, যদি তেহরানের সাথে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে সামরিক শক্তির মাধ্যমে এক চূড়ান্ত আঘাত হানা।

এরই মধ্যে এশিয়া থেকে কয়েক হাজার মার্কিন মেরিন সেনা উভচর জাহাজে করে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২,০০০ প্যারাট্রুপারকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যারা মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আকাশপথে অবতরণ করে শত্রুঘাঁটি বা বিমানবন্দর দখল করতে সক্ষম।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার (২৭ মার্চ) পুনরায় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে কোনো বড় ধরনের স্থল যুদ্ধ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী সপ্তাহে মেরিন সেনারা তাদের অবস্থানে পৌঁছে গেলে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে স্থল অভিযানের নির্দেশ দিতে পারেন। যদিও ভারী সাঁজোয়া ইউনিটের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে হোয়াইট হাউসের পক্ষে সংঘাতকে খুব বেশিদূর টেনে নেওয়া কঠিন হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক বিধ্বংসী অচলাবস্থা তৈরি করতে পারে।

মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের খারগ দ্বীপ, যেখান দিয়ে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। এই দ্বীপটি দখল বা ধ্বংস করা হলে তেহরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়বে। ট্রাম্প আশির দশক থেকেই এই দ্বীপে হামলার কথা বলে আসছেন। তবে এই অভিযান হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ ড্রোন ও রকেট হামলার মুখে এমন উভচর অবতরণ মার্কিন সেনাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কিশমি বা লারাক দ্বীপের মতো কৌশলগত পয়েন্টগুলোও মার্কিন নিশানায় রয়েছে, যা জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর নিখোঁজ হওয়া ৪৪০ কেজি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার করাও মার্কিন সেনাদের অন্যতম প্রধান মিশন হতে পারে। মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই বিপজ্জনক উপাদান উদ্ধারে বিশেষ বাহিনী পাঠানো হতে পারে। তবে পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক ম্যাক্স বুটের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন সেনাদের হতাহতের বিষয়টি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন, যা একটি বড় মাপের স্থল অভিযানের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়।

আপাতত ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার হুমকি আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন, যদি এর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান না আসে, তবে অবকাঠামো ধ্বংসের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ শুরু করতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host