1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

শেয়ারবাজারে ধস: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৯২ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

ধস নেমেছে দেশের শেয়ারবাজারে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের হটনায় গত সপ্তাহের দর পতনে শেয়ারবাজার সূচক হারিয়েছিল ৩৫৯ পয়েন্ট বা ৬.৪২ শতাংশ। গতকাল রোববার সূচক আরো নিচে নেমেছে। গতকাল আরও প্রায় ২৩২ পয়েন্ট বা ৪.৪২ শতাংশ হারিয়েছে। বর্তমান সময়ে সূচকের পতন হয়েছে ৫৯১ পয়েন্ট বা ১০.৫৬ শতাংশ।

এরইমধ্যে সরকারের নীরবতায় উঠেছে কারসাজি নিয়ে প্রশ্ন।

এই খাতের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গতকালের এ দর পতন ২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর সর্বোচ্চ। আর ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইএক্স চালুর পর সূচকের এ পতন চতুর্থ সর্বোচ্চ।

এদিকে দর পতনের পর অনুষ্ঠিত শেয়ারবাজারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন সিএমজেএফের সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখলেও শেয়ারবাজারের দর পতন নিয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।

একই অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ কোন কথা বলেননি। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান সরকার ও সংশ্লিস্টদের নীরবতা সন্দেহ সৃষ্টি করেছে বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাজারকে নিম্নমুখী করছে। তবে তা তা খতিয়ে দেখা দরকার। বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে বলেও মনে করেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা আরো জানান, শুধু ব্যাংক খাতের ৩১ কোম্পানির দর পতনে সূচক হারিয়েছে ১০৮ পয়েন্ট। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হলেও সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি একেবারে নিশ্চুপ।

গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হওয়া ৩৫০ কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ৩৩৯টিই দর হারিয়েছে। বাকি ১১ শেয়ারের মধ্যে ১০টির দর বেড়েছে, অপরিবর্তিত থেকেছে একটির দর। তালিকাভুক্ত ৩৭ মিউচুয়াল ফান্ডের একটিরও দর বাড়েনি, কমেছে ২৫টির। শুধু গতকালের দর পতনে ঢাকার শেয়ারবাজারের ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ধারণ করা শেয়ারের মূল্য কমেছে ৬ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। আর ইরান যুদ্ধের পর এখন পর্যন্ত কমেছে ১৫ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আল আমীন বলেন, এটা ব্যাখ্যাহীন দর পতন। ইরান যুদ্ধ শুরুর পরদিনের দর পতনকে যুদ্ধের কারণে বলে মনে করেছে অনেকে। তাহলে এর পরের দিন কেন শেয়ারদর বেড়েছিল।

তিনি বলেন, সন্দেহ হচ্ছে, ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পতন শুরু হলেও নেপথ্যে থেকে কেউ এটাকে উস্কে দিচ্ছে কিনা।

ড. আল আমীনের সন্দেহ, বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাজারকে নিম্নমুখী করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ তার।

বাজারের এই ভয়াবহ অবস্থায় সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির পক্ষ আশ্বস্ত করে বক্তব্য আসা উচিত ছিল বলে মত দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host