1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

বর্ষায় বাড়ে সাপের আক্রমণ, আমরা প্রস্তুত তো?

ডিডিএন ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৪ সময় দর্শন

সরীসৃপ প্রাণী সাপ সাধারণত লোকালয় থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করে। তবে বর্ষাকালে তাদের আবাসস্থল সংকুচিত হয়। ফলে তারা চলে আসে লোকালয়ে। অবধারিতভাবেই মানুষের চলাচলের পথে তাদের চলতে হয়।  আর এতেই বাধে বিপত্তি। ভয় পেয়ে মানুষকে কামড় দিয়ে বসে এ প্রাণীটি। ফলে বর্ষাকালে সাপে কামড়ানোর ঘটনা বেড়ে যায়। ‎ ‎বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর ৫৪ লাখ মানুষ সাপের কামড়ে আহত হন। এরমধ্যে ১৮-২৭ লাখ মানুষ বিষধর সাপের আক্রমণের শিকার হন। সংস্থাটি আরো বলছে, ৪১৪১০-১৩৭৮৮০ জন সাপের কামড়ে প্রতিবছর মারা যান। ‎ 

বাংলাদেশের মানুষ প্রবলভাবে কুসংস্কার আচ্ছন্ন। সাপের কামড়ে কেউ আহত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাকে নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে না নিয়ে, নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়ফুঁক করার জন্য, ‘ওঝা’র কাছে।  জানা যায়, বাংলাদেশে প্রায় ১০৮ ধরনের সাপ পাওয়া যায় এর মধ্যে ১৮-৩১ ধরন বিষধর। সুতরাং অধিকাংশ সাপের কামড় প্রাণঘাতী হয় না। তাই ওঝার কাছে নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী (আপনা আপনি) ভালো হয়ে যায়! আর এই বিশ্বাসের উপর ভর করে বিষধর সাপের কামড়ে আহত ব্যক্তিকেও সবাই নিয়ে যান ওঝার কাছে। এতে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে রোগী মারা যান।
কত গুলো বিষয়ে সচেতন থাকলে বর্ষায় সাপের আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকা যেতে পারে: ‎১। চলাচলে টর্চলাইট, লাঠি ও গামবুট ব্যবহার করা, ‎ও ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা, ‎২। বাড়িঘর ও আশেপাশ পরিষ্কার রাখা, ‎৩। পঁচা কাঠ, আবর্জনা, ইঁদুর ও ব্যাঙ নিয়ন্ত্রণ এবং  পোকামাকড় নির্মূল করা, ‎৪। বাড়ির ফাটল, গর্ত বন্ধ রাখা, অর্থাৎ সাপ ঢোকার সম্ভাব্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে, ‎৫। সাপ কামড় দিলে তৎক্ষণাৎ নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) নিয়ে যেতে হবে, ‎ ৬। সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে এবং ‘এন্টি ভেনম’ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সকল উপকরণের ব্যবস্থা প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতাল গুলোতে রাখতে হবে।

‎ ‎তবে সকল উদ্যোগে ব্যর্থ হবে, যদি আপামর জনসাধারণ সচেতন না হয়। সুতরাং সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সাপে কাটা রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা সহ ‘করণীয়’ এবং ‘বর্জনীয়’ নিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করে, আমরা সাপের বিষে মৃত্যু হার ও সংখ্যা অনেকটা কমিয়ে দিতে পারি। ‎

লেখকঃ

এস এম নাহিদ হাসান (শিক্ষক, সাংবাদিক ও কবি)

 

‎সুত্রঃ জনকণ্ঠ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host