বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শন করেন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), এমপি। তার সফর সঙ্গী হিসাবে ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুর জেলার স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় অংশ নেন তারা। মতবিনিময় সভায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বর্তমানে নানা সংকট, অতিরিক্ত কয়লা মজুদ, অব্যবস্থাপনা এবং বৃষ্টির পানিতে কয়লা ভেসে যাওয়ার মত সমস্যার সমাধান বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, খনির ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত কয়লা পড়ে থাকায়, বৃষ্টির পানিতে ভিজে ও ড্রেন দিয়ে ভেসে গিয়ে কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।
সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিসহ দেশের অন্যান্য জ্বালানি খাতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার ক্ষমতায় থেকে দেশীয় সম্পদ অবহেলা করে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়েছিল। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরোও বলেন, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় খনিজ সম্পদ ব্যবহার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হবে।
মতবিনিময় ও আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম, উৎপাদন ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। বিকেলে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা পরিদর্শনে যান। খনি সফরসঙ্গী ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজানুল হকসহ জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বোর্ড অফিসে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।