1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৮ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে সার শিল্পে। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)–এর উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সার উৎপাদন কেন্দ্র ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি নির্দেশনার পর বুধবার বিকেল থেকে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বোরো কৃষিতে সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারখানার মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম জানান, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাধ্য হয়ে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শতভাগ সক্ষমতায় চালু ছিল ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানাটি। তবে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের বড় ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতি কৃষিতেও পড়বে। সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর এই কারখানাটি চালু রাখতে দৈনিক অন্তত ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই চাপের গ্যাস প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও সীমিত আকারে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন করে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফেরা যাবে। তবে কবে নাগাদ পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

এদিকে বিষয়টি জানতে পলাশে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র স্থানীয় অফিসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host