1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৪ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে সার শিল্পে। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)–এর উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সার উৎপাদন কেন্দ্র ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি নির্দেশনার পর বুধবার বিকেল থেকে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বোরো কৃষিতে সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারখানার মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম জানান, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাধ্য হয়ে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শতভাগ সক্ষমতায় চালু ছিল ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানাটি। তবে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের বড় ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতি কৃষিতেও পড়বে। সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর এই কারখানাটি চালু রাখতে দৈনিক অন্তত ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই চাপের গ্যাস প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও সীমিত আকারে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন করে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফেরা যাবে। তবে কবে নাগাদ পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

এদিকে বিষয়টি জানতে পলাশে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র স্থানীয় অফিসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host