1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ভারতবিদ্বেষ এবং ভারতীয় পণ্য নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চলমান, বিগত সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে এলো ১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি ভারতীয় চাল

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৫ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আমলে ভারতবিদ্বেষ এবং ভারতীয় পণ্য নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চলমান সত্ত্বেও ভারত থেকে নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য আমদানি তো কমেইনি, বরং বিগত সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে আরও অধিক পরিমাণ আমদানি করছে বাংলাদেশ। দেশের বিভিন্ন স্থল এবং নদীবন্দরের পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়েও এলো ভারতীয় চাল।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত মোট ১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল সোনা মসজিদ বন্দরে প্রবেশ করে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে পানামা সোনা মসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৪শে জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন (১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি) চাল বন্দরে প্রবেশ করেছে। সোনা মসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির জানান, বন্দরে প্রকারভেদে আমদানি করা এসব চালের প্রতি কেজিতে গড়ে ব্যয় ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এদিকে সোনা মসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান, গত বছরের ৩রা ডিসেম্বর এ বন্দর দিয়ে ৫৬৩.৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর কিছু সময় পর্যন্ত সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

ভারতবিরোধিতার রাজনীতি ও বাস্তবতা

রাজনৈতিক-সামরিক নানাবিধ অস্থিরতা আর উস্কানি সত্ত্বেও সেই ভারত থেকে নিয়মিত বিরতিতে আসছে চাল। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ এবং তাদের সমর্থকগোষ্ঠীর অবিরত ভারতবিরোধিতা সত্ত্বেও বন্ধ হয়নি বাণিজ্য। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে।

মুখে ভারতবিরোধী কথাবার্তা বললেও ভারত থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির কোনো সহজ ও সাশ্রয়ী বিকল্প খুঁজে পাচ্ছেনা ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।

সাধারণ নাগরিকদের মতে, ইউনূস সরকার ও তার কিংস পার্টি নয়া বন্দোবস্তের নামে অন্তঃসারশূন্য ভারতবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। এছাড়াও কিছু রাজনৈতিক দল এবং তাদের নেতারা, বিশেষ করে কিংস পার্টি এনসিপি বরাবরই ভারতের বিরুদ্ধে কড়া সুরে কথা বলে আসছে।

শুধু তা-ই নয়, সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাও আছেন যারা বিভিন্ন সময় ভারতবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও এর আগে ভারতের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়েছিলেন। পরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দেশের নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল, পেঁয়াজ, গমসহ একাধিক পণ্যের জন্য ভারতই বাংলাদেশের প্রধান উৎস। সড়ক পথে কম খরচে স্বল্প সময়ে পণ্য পৌঁছে যায় দেশে। বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে আবারও দেখা যাচ্ছে সরকারকে ভারতমুখী হতে হয়েছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, আবেগ নয়, বাস্তবতাই অর্থনীতির নিয়ামক।

ভারত বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত হলেও বর্তমান ইউনূস সরকার ও তাদের লোকজন বারবার অকারণে ভারত বিরোধীতা করে বাংলাদেশকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে করেন সুধীজন। এতে দিনদিন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনগণ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host