1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

চলনবিলে অবাধে পাখি নিধন!

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫১২ সময় দর্শন
চলনবিলে অবাধে পাখি নিধন!

মোঃ মুন্না হুসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

চলনবিলে পাখি শিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দিন রাত অবাধে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি নিধন করে চলেছেন শিকারিরা। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই বলে পাখি শিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায় প্রতিবছর এই মৌসুমে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার সরজমিনে দেখা যায়, চলনবিল অধ্যূষিত তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া ও কাজিপুর গ্রাম এলাকার বিস্তীর্ণ মাঠ থেকে রাতের আঁধারে কাদা খোঁচা, রাত চোরা, শালিকসহ অতিথি পাখি শিকার করেছেন পাখি শিকারিরা।

এদিকে তাড়াশের সীমান্তবর্তী নিমগাছি বাজারে পাখি বেচার সময় শতাধিক বক পাখি অবমুক্ত করেছেন রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। রায়গঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক আসিফ আল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে তিনজন পাখি শিকারি ফাঁদ পেতে বক পাখি শিকার করে নিমগাছি বাজারে নিয়ে আসেন। এরপর স্থানীয় রেজাউল করিম নামে একজন পরিবেশবাদী ব্যক্তি পুলিশে খবর দেয়। তারপর জনসম্মুখে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।

পাখি শিকারিরা আগেই পালিয়ে যায়। পরে শিকারিদের পাখি ধরা ফাঁদগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন পাখি শিকারি বলেন, চলনবিল থেকে পানি নামার সময় ফাঁকা মাঠের খেতে ও ডোবা, নালা, খালে পুঁটি, দারকিনা, খলসেসহ প্রচুর পরিমাণে ছোট মাছ ও পোকা মাকড় পাওয়া যায়। সেসব খাবারের লোভে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি চলনবিলে আসে। কারেন্ট জাল ও বিভিন্ন ফাঁদ পেতে তারা পাখি শিকার করেন। স্থানীয় স্বাধীন জীবন নামে একটি জীব বৈচিত্র প্রকৃতি সংরক্ষণ কাজের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক নাছিম বলেন, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট পাখিদের অবাধ বিচরণের জন্য সারাদেশে যথারীতি ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন। এরপরও নির্মমভাবে পাখি শিকার করা হচ্ছে। জানা গেছে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী পাখি শিকারিদের জন্য এক বছর পর্যন্ত কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।

তাছাড়া একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত করাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক জহির আকন্দ বলেন, এখনই আইনের প্রয়োগ করতে চাচ্ছিনা। কারণ পাখি বাঁচাতে জনসচেতনতাই মুখ্য। সেজন্য গত দেড় বছর ধরে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সাথে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে চলনবিল অঞ্চলের বেশ কিছু সংখ্যক মানুষজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাতে পাখি শিকার আগের তুলনায় কমেছে। এরপরও যদি সম্ভব না হয়, তাহলে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী পাখি শিকারিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগীয় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ১৬ জেলা নিয়ে তাদের কাজ। যেখান থেকেই পাখি শিকারের তথ্য পাওয়া যাবে। শিকারিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host