1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

সেতু না থাকায় সাঁতরে স্কুলে যায় শিক্ষার্থীরা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৪৯ সময় দর্শন
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই শতাধিক শিক্ষার্থী স্কুলে যাতায়াত করছে
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

অল্প বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢলে ফুলে-ফেঁপে ওঠে রূপেশরী নদী। তখন বই-খাতা মাথার ওপর তুলে নদী সাঁতরে স্কুলে যেতে হয় শিশু শিক্ষার্থীদের। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এভাবেই সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর ও শ্রীপুর গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী ঘিলাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে। বুধবার বিকেলে শিক্ষার্থীদের নদী সাঁতরে পার হওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষার্থী বই-খাতা ভিজে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে মাথার ওপর তুলে স্রোতের মধ্য দিয়ে নদী পার হচ্ছে। এ সময় স্রোতের তোরে শিক্ষার্থীরা ভেসে ভেসে পিছিয়ে গেলে একজন অন্যজনকে টেনে পাড়ে তুলছে।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর ও শ্রীপুর গ্রামে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় ওই দুই গ্রামের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ঘিলাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যায়। বিদ্যালয়ে যেতে রূপেশরী নদী পার হওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। কিন্তু এই নদী পারাপারে নেই কোনো নৌকা, সেতু কিংবা বাঁশের সাঁকো। ফলে বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে সাঁতরেই চলাচল করতে হচ্ছে।

ঘিলাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নগ্নজিতা হাজং বলেন, ‘বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের। সামান্য বৃষ্টিতেই নদীতে পাহাড়ি ঢল নামে। তখন শিশুদের জন্য স্কুলে আসা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। আমাকেও একইভাবে নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চলাচল করলেও এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ এখানে দৃষ্টি দেয়নি। দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের কষ্ট অনেকটাই কমবে।’

শ্রীপুর গ্রামের কল্যাণী হাজং বলেন, ‘প্রতিদিন সন্তানদের নদী পার হতে দেখে আতঙ্কে থাকি। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তার পরও পড়াশোনার জন্য ঝুঁকি নিয়েই তাদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, কয়েক গ্রামের সাধারণ মানুষও এই নদী পার হয়ে চলাচল করেন। অসুস্থ রোগী নেওয়া কিংবা জরুরি কাজে যাতায়াতেও ভোগান্তি পোহাতে হয়।’

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দীনি হাজং বলে, ‘নদী পার হতে গিয়ে অনেক সময় জামা-কাপড়ের পাশাপাশি বইও ভিজে যায়। কিন্তু স্কুলে না গেলে পড়াশোনা হবে না তাই প্রতিদিন এভাবে ভিজেই স্কুলে যাই।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘আমি আপনার কাছ থেকে এই প্রথম এ ব্যাপারে জানলাম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারাপার ঝুঁকিমুক্ত ও সহজ করার জন্যে আমি আগামীকালই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলব। এছাড়া এ ব্যাপারে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও লিখিতভাবে বিষয়টি জানাব।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host