1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

টালমাটাল অর্থনৈতিক ভারসাম্য: ঋণ শোধের চাপ বাড়ছে, কমছে নতুন অর্থপ্রবাহ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৬৫ সময় দর্শন

বিশেষ প্রতিনিধি

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, আর একই সময়ে নতুন ঋণের প্রবাহে ধীরগতি দেখা দেওয়ায় অর্থনীতিতে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) সরকার আসল ও সুদ মিলিয়ে মোট ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দেশীয় মুদ্রায় এ পরিমাণ প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

ঋণ পরিশোধের অঙ্ক বাড়লেও নতুন ঋণছাড় ও প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অর্থছাড় কমে যাওয়ায় বৈদেশিক অর্থপ্রবাহে চাপ বাড়ছে।

ফলে একদিকে বড় অঙ্কের ঋণ শোধের বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে প্রত্যাশিত নতুন অর্থ না আসায় সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে ধীরগতি, জ্বালানি সংকটজনিত অগ্রাধিকারের পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক বিলম্ব—সব মিলিয়ে ঋণছাড়ের প্রবাহে প্রভাব পড়েছে। এর সরাসরি প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বৈদেশিক অর্থায়নে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আলোচ্য সময়ে আসল ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ২২৭ কোটি ডলার এবং সুদ পরিশোধে গেছে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার। অন্যদিকে ঋণছাড় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ কম।

নতুন ঋণ প্রতিশ্রুতিতেও ভাটা পড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে প্রতিশ্রুতি এসেছে প্রায় ২৮০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় কম। উল্লেখযোগ্যভাবে ভারত, রাশিয়া, জাপান ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) এ সময়ে নতুন কোনো ঋণ প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশ এখন এমন এক পর্যায়ে রয়েছে যেখানে আগের নেওয়া ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই পরিশোধের চাপ বাড়ছে। তবে একই সময়ে ঋণছাড় ও নতুন প্রতিশ্রুতি কমে যাওয়া বৈদেশিক খাতে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক অর্থায়নে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host