রাজধানীর গুলশানে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জিএমএ মঈনুদ্দিন চৌধুরী। তিনি একজন কর্পোরেট ট্রেইনার এবং রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (বিইউপি) শিক্ষকতা করেন বলে জানা গেছে। গতকাল রোববার সকালে শাহজাদপুরের নিজ বাসা থেকে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন তার গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গুলশান থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় মাঈনুদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গুলশান থানাধীন শাহজাদপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভুক্তভোগী কিশোরের পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটের থাকেন অধ্যাপক মঈনুদ্দিন। বাসার প্লে-গ্রাউন্ডে খেলার সময় ভুক্তভোগী শিশুকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভনে তার শরীরের স্পর্শকাতর অংশে ‘ব্যাড টাচসহ’ যৌন নির্যাতন করে। এছাড়া ঘটনাটি কাউকে না বলতে নানা রকম ভয়ভীতি দেখায়।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ঘটনায় পর ভুক্তভোগী কিশোর শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। আতঙ্কে ঘুমের মধ্যে কান্নাকাটি, রাতে ভয়ে চিৎকার করে ওঠা এবং ভয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়াসহ ভীতিকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
বর্তমানে ওই কিশোরটি মানসিক চিকিৎসক ও শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার অভিভাবকরা।
জানা গেছে, এবারই প্রথম নয়, ইতিপূর্বেও ওই কিশোর অধ্যাপক মাঈনুদ্দিনের দ্বারা একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার গুলশান থানায় অভিযোগ দিলে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রজু হয়। এ মামলায় গতকাল সকালে এই অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।






