1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

ঢাকায় ভোজ্যতেলের সরবরাহে টান, বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত তেলের দাম

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৫ সময় দর্শন

স্টাফ রিপোর্টার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে ঘিরে রাজধানীর বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহে অস্বাভাবিক চাপ দেখা দিয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের ঘাটতির পাশাপাশি খোলা তেলের দামও বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানি পর্যায় থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ভোক্তাদের অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রবণতায় বাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ও চাহিদার এই অসমতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘিরে অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাজার তদারকি জোরদারের পাশাপাশি সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

রাজধানীর মুগদা, মানিকনগর, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক মুদি দোকানেই এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল চাহিদার তুলনায় কম পাওয়া যাচ্ছে। পরিচিত কয়েকটি ব্র্যান্ডের সীমিত পরিমাণ তেল দেখা গেলেও অনেক ছোট বা অপরিচিত ব্র্যান্ড বাজারে প্রায় অনুপস্থিত।

মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট এলাকায় তেল কিনতে আসা হাফিজ উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, এক লিটারের বোতলজাত তেল কিনতে কয়েকটি দোকানে ঘুরেছি, কিন্তু পাইনি। শেষে বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনেছি। খোলা তেলের দামও আগের তুলনায় বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, মহল্লার দোকানগুলোতে খোলা সয়াবিন তেল বর্তমানে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও একই তেল ১৯৫ থেকে ১৯৮ টাকায় পাওয়া যেত।

খুচরা বিক্রেতাদের ভাষ্য, বোতলজাত তেলের ক্ষেত্রেও পাইকারি পর্যায়ে দাম কিছুটা বেড়েছে। পাঁচ লিটারের একটি বোতলের গায়ে নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ৯৫৫ টাকা। আগে ডিলারদের কাছ থেকে এই তেল প্রায় ৯৩০ টাকায় কিনে ৯৪০ টাকায় বিক্রি করতেন দোকানিরা। এতে তাদের বোতলপ্রতি প্রায় ১০ টাকা লাভ থাকত। তবে কয়েকদিন ধরে একই বোতল কিনতে হচ্ছে প্রায় ৯৫০ টাকায়। ফলে এমআরপি দামে বিক্রি করলেও লাভ কমে এসেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত মাস থেকেই বাজারে বোতলজাত তেলের সরবরাহ কিছুটা কম ছিল। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে এই চাপ আরও বেড়েছে। একদিকে সরবরাহ তুলনামূলক কম, অন্যদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা থেকে অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনছেন। এতে বাজারে ঘাটতির অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

তবে তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি করেছে। ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাসলিম শাহরিয়ার গণমাধ্যমকে জানান, চলতি বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়েছে। রমজানে চাহিদা বাড়বে বিবেচনায় অতিরিক্ত তেল আমদানিও করা হয়েছে। বর্তমানে মাসে ৫০ হাজার টনের বেশি তেল বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে, তাই সংকট হওয়ার কথা নয়।

অন্যদিকে সিটি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, তাদের পক্ষ থেকে সরবরাহ কমানো হয়নি। তবে এলসি–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছু ছোট আমদানিকারক তেল আনতে পারছেন না। পাশাপাশি রমজানে চাহিদা বৃদ্ধি এবং কিছু মানুষের অতিরিক্ত মজুদ প্রবণতার কারণেও বাজারে সাময়িক চাপ তৈরি হয়ে থাকতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host