ম্যাকাই টেস্টে বড় জয় অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তি দিলেও ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কঠিন সিরিজের আগে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা।
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে নাকানিচুবানি খাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। কিন্তু ম্যাকাই টেস্ট দুই দিনে জিতে আবারও নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার বার্তা দিয়েছে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানধারীরা।
মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে বোলিং ইউনিট প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে ইনিংস ও ৫১ রানের জয় নিশ্চিত করে। ডারউইনে হারের পর যা ছিল তাদের শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন। আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে এই জয় নিশ্চিতভাবেই তাদের মানসিকভাবে উজ্জীবিত করবে।
তবে ব্যাটিং নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েই গেছে। বিশেষ করে শীর্ষক্রমে ধারাবাহিক ব্যর্থতা নির্বাচকদের মাথাব্যথা বাড়াচ্ছে। মার্নাস লাবুশেন আবারও ব্যর্থ হয়েছেন—ডারউইনে দুই ইনিংসে বাজে আউট হওয়ার পর ম্যাকেই টেস্টে মাত্র চার রানে শোরিফুল ইসলামের বলে বোল্ড হন। তার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া—থাই প্যাড কেটে ফেলা—আলোচনায় এলেও মূল সমস্যা ছিল টেকনিক্যাল ঘাটতি। সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং সরাসরি বলেছেন, “এখন সময় এসেছে অন্য কাউকে সুযোগ দেওয়ার।”
প্রথম টেস্টের পর ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড বাদ পড়েছেন, আর তার জায়গায় আসা ম্যাট রেনশও মাত্র ৮ রানে আউট হয়ে আস্থা জাগাতে পারেননি। ট্রাভিস হেডকে ওপেনিংয়ে রাখা হবে নাকি আবার মিডল অর্ডারে ফেরানো হবে, তা নিয়েও বিতর্ক চলছে। হেডকে ওপেনিংয়ে রাখা হলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই অনভিজ্ঞ ওপেনার নিয়ে ঝুঁকি নিতে হবে।
ক্যামেরন গ্রিন অবশ্য ধারাবাহিক রান করে পাঁচ নম্বরে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। ফলে হেডকে নামানো হলে উইকেটকিপার অ্যালেক্স কেরি ও দ্বিতীয় অলরাউন্ডার বো ওয়েবস্টারের অবস্থানও পাল্টাতে হবে। নির্বাচকরা বাংলাদেশ সিরিজে মাত্র ১৩ জনের স্কোয়াড নিলেও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অন্তত ১৬ জন নেওয়ার কথা ভাবছেন, যেখানে অতিরিক্ত ব্যাটিং কাভার রাখা হবে। তবে কারা সুযোগ পাবেন তা এখনো অনিশ্চিত।
অ্যালেক্স কেরি ম্যাচ শেষে বলেছেন, “আমরা মনে করি কিছু রান হাতছাড়া করেছি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে উন্নতির চেষ্টা করছি। আমরা ক্ষুধার্ত, কঠোর পরিশ্রম করছি।”
এই বিভাগের আরও



বিভাগ : খেলাধুলা
No one has commented yet. Be the first!
এই বিভাগের আরও



No one has commented yet. Be the first!